৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:১২
শিরোনাম:

ই-পাসপোর্ট সেবা চালু হচ্ছে আগামী মাসে

আগামী মাসে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) দেয়া হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সময় দিলে পাসপোর্ট তৈরি ও বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন হবে। পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক পাসপোর্টে কাগজপত্রের কোনো সত্যায়নের দরকার হবে না। কোনো ভ্যাট ছাড়াই ই-পাসপোর্টের সর্বোচ্চ ফি ধরা হয়েছে ১২ হাজার টাকা আর সর্বনিম্ন সাড়ে ৩ হাজার টাকা। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ফি ২২৫ ডলার এবং সর্বনিম্ন ফি ১০০ ডলার ধরা হয়েছে। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ ফি ২২৫ ডলার এবং সর্বনিম্ন ফি ৩০ ডলার ধরা হয়েছে। সবক্ষেত্রে ই-পাসপোর্ট ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার হবে। সাধারণ, জরুরি ও অতি জরুরি- এ তিন ক্যাটাগরিতে ই-পাসপোর্টের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কাগজপত্র সত্যায়নের ঘর উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৩ হাজার ৫শ’ টাকা, জরুরি ফি ৫ হাজার ৫শ’ টাকা ও অতি জরুরি ফি ৭ হাজার ৫শ’ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৫ হাজার টাকা, জরুরি ফি ৭ হাজার টাকা ও অতি জরুরি ফি ৯ হাজার টাকা। এ ছাড়া বাংলাদেশে আবেদনকারীদের জন্য ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৫ হাজার ৫শ’ টাকা, জরুরি ফি ৭ হাজার ৫শ’ টাকা ও অতি জরুরি ফি ১০ হাজার ৫শ’ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৭ হাজার টাকা, জরুরি ফি ৯ হাজার টাকা ও অতি জরুরি ফি ১২ হাজার টাকা।

পরিপত্রে আরো বলা হয়েছে, ই-পাসপোর্টে কারো আবেদন ১৮ বছরের নিচে হলে জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি), ১৮ বছর হলে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি) এবং ১৮ বছরের বেশি হলে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অবশ্যই লাগবে। ১৮ বছরের নিচে সব আবেদনকারীর ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

Loading