ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের অতর্কিত হামলার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে সোমবার বিকালে হাস্পাতালের যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র নেতারা।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, আওয়ামী বাকশালী ছাত্রলীগের একদলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসনের বহিঃপ্রকাশ। রাষ্ট্র ও সমাজ থেকে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার মতো তারা শিক্ষাঙ্গনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে চায় না।
ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিদ্যমান থাকলে ঐক্যবদ্ধ ছাত্রসমাজ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করবে।এই ভয়ে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ এখন লাঠিয়ালের ভূমিকা পালন করছে।
এর আগে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ছাত্রলীগের হাতে বই, খাতা, কলমের পরিবর্তে অস্ত্র তুলে দেয়ার কারণেই শিক্ষাঙ্গনগুলো রক্তাক্ত এবং তারা নিজেরা মহাচাঁদাবাজ হিসেবে অভিসিক্ত হয়েছে। ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠন এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অঘোষিত শাসকে পরিণত হয়ছে। তারা নিজেরা বেপরোয়াভাবে চাঁদাবাজী, ভর্তি বাণিজ্য, সিট বাণিজ্য, নকল বাণিজ্য ও প্রশ্নপত্র ফাঁস বাণিজ্যে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। আসলে এরাই দেশব্যাপী অরাজকতা ও অনাচারের হোতা।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রলীগের হামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মো: শাহনেওয়াজ, ডাকসুর এজিএস প্রার্থী মো: খোরশেদ আলম সোহেল, জিয়া হল যুগ্ম আহবায়ক কামরুল ইসলাম, ঢাবি সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল ইসলাম শাহীন, শহীদুল্লাহ হল জিএস প্রার্থী মাহবুবুল আলম শাহীন, সুর্যসেন হল যুগ্ম আহবায়ক, ফিরোজ আলম, আতাউর রহমান, খন্দকার ফাহিম, সাগর রহমান ও কর্মী শাহ আলম চৌধুরীসহ অনেক ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মারাত্মকভাবে আহত হয়। তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সম্পাদনা : সাজিয়া আক্তার
![]()