৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:২৯
শিরোনাম:

শরনখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্র সংস্কারে অনিয়ম রং-তুলির আঁচড়ে পাঁচ লাখ টাকা আত্মসাত!

নইন আবু নাঈম, শরনখোলা (বাগেরহাট)ঃ বাগেরহাটের শরনখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রসের ভবন সংস্কারের কাজ না করে বিলের টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্দে।
সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, শরনখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রসের তৃতীয় শ্রেনীর একটি আবাসিক (ভবন) কোয়াটার সংস্কারের জন্য চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ৫ লাখের অধিক টাকা বরাদ্দ দেয় খুলনা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। ওই সংস্কার কাজের দায়িত্ব পান খুলনাঅস্থ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স স্বাদ এন্টার প্রাইজ।পরবর্তীতে ঠিকাদারের লোকজন ভবনের ভিতর ও বাহিরের দেয়ালে কোন রকম রং তুলির আঁচর দিয়ে পানি-বিদ্যুৎ সহ গুরুত্ত পুর্ন কাজ গুলো না করেই চলে যায়। পরে বিষয়টি ওই কোয়াটারের বাসিন্দা স্বাস্থ্য সহকারী ডাঃ মোঃ আসলাম হোসেন জমাদ্দার সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারকে অবগত করেন। এসময় তারা বলেন,চিন্তার কোন কারন নেই, নিয়মানুযায়ী ভবনের সকল কাজ সঠিক ভাবে করে দেয়া হবে। কিন্তু মিথ্যা আশ্বাসে কোয়াটারের বাসিন্দাদের ঘুম পড়িয়ে রেখে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর যোগসাজসে সম্পুর্ন বিলের তুলে নেয় ঠিকাদার। এ বিষয়ে ডাঃ আসলাম হোসেন বলেন,ঠিকাদার ভবনটির কাজ করে না দেয়ার কারনে.পরিবার পরিজন বৃষ্টির পানি থেকে বাঁচাতে আমার ব্যক্তিগত ভাবে ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে। এছড়া থাকার কোন পরিবেশ ছিলনা। তবে,স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জামাল হোসেন শোভন বলেন,সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কাজ বুঝিয়ে দেয়া তো দুরের কথা হাসপাতাল কতৃপক্ষের সাথে কোন যোগাযোগ করেননি। এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। তবে প্রকৌশলী মোঃ এনামুল হক তালুকদার বলেন,হাসপাতালের ওই ভবনের কাজ সঠিক করা হয়েছে।এ ক্ষেত্রে ঠিকাদারের কোন গফেলতি নেই এবং ভবনের বাসিন্দাদের অভিযোগ সঠিক নয়।এছাড়া জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ জি .কে .শামসুজ্জামান বলেন, অনেক ঠিকাদার কাজে নানা অনিয়ম করে থাকেন। এমনকি কাজ বুঝিয়ে না দেয়া সহ কাগজপত্রে সাক্ষর পর্যন্ত নেয় না। তবে বিষয়টির খোঁজ খবর নেয়া হবে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Loading