আবাসন সংকট নিরসনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় পূর্বঘোষণা অনুযায়ী গণরুমের শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামানের বাসভবনে উঠতে গিয়ে বাস ভবনের সামনে অবস্থান করছেন শিক্ষার্থীরা।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে কবি জসীমউদ্দীন হলের গণরুমের প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে তিনি উপাচার্যের বাসায় উঠতে যান। তবে উপাচার্যের বাসভবনের গেটের সামনে গিয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের বাধায় পড়েন।
শিক্ষার্থীদের বরাত দিয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা জানান, উপাচার্য বর্তমানে বাসভবনে নেই, এমন কারণ দেখিয়ে সৈকতসহ অন্য শিক্ষার্থীদের সেখানে ঢুকতে দেয়নি প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা। উপাচার্য আসলে তখন এ ব্যাপারে তার সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়।
এ ঘটনার পর সৈকতসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীদের উপাচার্যের বাসভবনের গেটের সামনে অবস্থান নিতে দেখা গেছে। তানভীর হাসান সৈকত বলেন, “আবাসন সংকট নিরসনে গত ১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে তাদের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। তাই আমি আমার কথা মতো গণরুমের শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপাচার্যের বাসায় উঠতে এসেছি।”
তিনি আরও বলেন, “মূলত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনই এ ব্যাপারে আন্তরিক নয়। তারা যদি সত্যিই এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিতো, হলে হলে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে সিট দখলকারীদের বিতাড়িত করতো, তাহলে আমাদের আর এখানে এসে অবস্থান নিতে হতো না।”
‘যাচ্ছি পচে গণরুমে, এখানে নাকি স্বপ্ন জমে’, ‘গণরুমের বঞ্চনা মানি না মানব না’, ‘গণরুমে আমরা থাকি, প্রশাসন খায়-দায় ঘুমায় নাকি’, ‘আমরা এখন চুপসে গেছি, জ্ঞানশূন্য কালোমাছি’ ইত্যাদি স্লোগান দিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, গত ১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে গণরুম সমস্যা সমাধান ও নবীন শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে ভর্তির দাবিতে এক ছাত্রসমাবেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিলের তানভীর।
এর আগে, গণরুম সমস্যার সমাধান চেয়ে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে নিজের বৈধ সিট ছেড়ে গণরুমে উঠেছিলেন ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে ডাকসুর সদস্য নির্বাচিত হওয়া তানভীর হাসান সৈকত। দ্য ডেইলি স্টার ও জাগো নিউজ
![]()