৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:৫৩
শিরোনাম:

ডিএসসিসির ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মঞ্জু গ্রেপ্তার হওয়ায় এলাকায় মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ

ডিএসসিসির ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জুকে গ্রেপ্তারের পর টিকুটুলীর রাজধানী মার্কেটের ব্যবসায়ীরা আনন্দ মিছিল বের করেন। সেইসঙ্গে নিজেদের মধ্যে মিষ্টিও বিতরণ করেছেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় রাজধানীর টিকাটুলিতে কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র ও মাদকসহ মঞ্জুকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। অভিযান চলাকালে তার স্থানীয় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি নানা বয়সী মানুষ সেখানে ভিড় করে। কার্যালয়ের সামনে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে ব্যবসায়ীদের আনন্দ মিছিল করতে দেখা গেছে। এ সময় ব্যবসায়ীরা ‘চাঁদাবাজ মঞ্জু নিপাত যাক’, ‘রাজধানী মার্কেট মুক্তি পাক’, ‘চাঁদাবাজ

মঞ্জুর বিচার চাই’- এমন স্লোগান দিচ্ছিলেন।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কাউন্সিলর মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে রাজধানী সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে রেখেছেন। তার চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সবাই। মার্কেটের শাড়ি ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন বলেন, কাউন্সিলর মঞ্জু নিজেকে রাজধানী মার্কেটের অঘোষিত সভাপতি দাবি করতেন। কেউ দোকান ভাড়া নিলে, বিক্রি করলে ২ থেকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করতেন। কিছুদিন আগে এসি লাগানোর কথা বলে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা নিয়েছেন। কিন্তু কোনো কাজই করেননি। প্রায় ৯ বছর ধরে তার এমন চাঁদাবাজি চলছে। এতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন বলে ব্যবসায়ীরা জানান।

৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মঞ্জু ওয়ারি থানা আওয়ামী লীগের একজন ‘সম্মানীয় সদস্য’। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের গত কমিটিতেও সদস্য হিসেবে ছিলেন। রাজধানী সুপার মার্কেট ও নিউ রাজধানী সুপার মার্কেটে চাঁদাবাজি, অবৈধ দখলদারির পাশাপাশি মাদকের কারবারের অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে খবরের শিরোনাম হয়েছেন তিনি। অবশ্য তিনি নিজে বরাবরই তা অস্বীকার করেছেন। সম্প্রতি দুর্নীতিবিরোধী শুদ্ধি অভিযান শুরু হলে নতুন কওে আলোচনায় আসে তার নাম। সভায় অনুপস্থিতির কারণে সম্প্রতি দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ২১ কাউন্সিলরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে। যার মধ্যে ময়নুল হক মঞ্জুও রয়েছেন।

র‌্যাব জানায়, ৩৯ নম্বর কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ওয়ারী থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা হয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরেই মঞ্জু র‌্যাবের নজরদারিতে ছিলেন। সর্বশেষ ব্যবসায়ীদের মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপর সঙ্গে নিয়ে তার কার্যালয়ে অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানে মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল।

Loading