৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:২২
শিরোনাম:

‘খালেদা ন্যায়বিচার না পেলে রাজপথে নামবে আইনজীবীরা’

দুর্নীতি মামলায় সাজা হওয়ার পর কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার না পেলে আইনজীবীরা রাজপথে নামবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক খন্দকার মাহবুব হোসেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সোমবার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে বিএনপি প্রধানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

খন্দকার মাহবুব বলেন, রাজপথকে উত্তপ্ত করবে আইনজীবীরা। সমাবেশ বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা না। আমাদের প্রতিবাদ বর্তমান বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক বলেন, বিচার বিভাগ থেকে আমাদের যে বিচার পাওয়ার কথা ছিল তা অ্যাটর্নি জেনারেলের কারসাজিতে পাচ্ছি না।

‘সর্বোচ্চ আদালত মেডিকেল রিপোর্ট চেয়েছে। যথাসময়ে সেই রিপোর্টও এসেছে। কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে সেটা উপস্থাপন না করে অত্যন্ত জঘন্যভাবে বলে গেছেন রিপোর্ট আসে নাই। আমি মনে করি তিনি সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি অবমাননা করেছেন।’-যোগ করেন খন্দকার মাহবুব।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা এখনো বিশ্বাস করি আমাদের বিচার বিভাগ, বিশেষ করে সুপ্রিমকোর্ট ন্যায়বিচার করবেন। আইনের শাসন কায়েম থাকবে। সেই জন্যই আজকের এই সমাবেশ।’

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘এই সমাবেশ আদালতের ওপর চাপ সৃষ্টির কোনো সমাবেশ না। এই সমাবেশ খালেদা জিয়ার মুক্তির সমাবেশও না। আমরা চাই ন্যায়বিচার।’

পাকিস্তানের উদাহরণ দিয়ে খন্দকার মাহবুব বলেন, ‘আমরা আশপাশের দেশের দিকে তাকাই, তখন দেখি সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায়ও নওয়াজ শরীফকে হেলিকপ্টরে করে বিদেশে পাঠানো হয়েছে। লালু প্রসাদকেও সুপ্রিমকোর্ট থেকে জামিন দেওয়া হয়েছিল। সেখানে যারা আইন উপদেষ্টা ছিলেন তারা বিচার বিভাগকে বিভ্রান্ত করেন নাই।’

‘আমি এখনো মনে করি সেই আমাদের অ্যাটর্নি জেনারেল সর্বোচ্চ আদালতকে বিভ্রান্ত করেছেন। সেই দিন তিনি যদি সঠিক ব্যবস্থা নিতেন তাহলে আজকের এই অবস্থার সৃষ্টি হতো না। বাংলাদেশের সর্বস্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য আইনজীবী সমাজ অতীতেও ছিল, আজও সেই অবস্থানে আছে বলে জানান তিনি।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সাবেক মন্ত্রী নিতায় রায় চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, তৈমুর আলম খন্দকার, গিয়াস উদ্দিন আহমদ, বদরুদ্দোজা বাদল এবং কামরুল ইসলাম সজল প্রমুখ।

Loading