৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:৪৩
শিরোনাম:

খালেদা জিয়ার প্রকৃত রিপোর্ট সরিয়ে অন্য রিপোর্ট দেয়ার চেষ্টা : ফখরুল

বুধবার রাজধানীর হোটেল লেক শো’র ‘আন্তর্জাতিক মানবাধিকার’ দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সুপ্রীম কোর্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ ) কর্তৃপক্ষের কাছে খালদা জিয়ার যে মেডিকেল রির্পোট চেয়েছিলো। । সে রির্পোট এখনো পর্যন্ত আসেনি। আমরা যতোদুর জানতে পেরেছি। বিএসএমএম কতৃপক্ষ যে রির্পোটি দিয়েছিলেন, সে রির্পোটকে সড়িয়ে দিয়ে অন্য একটি রির্পোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বিএনপির চেয়ারপারসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি মিথ্যা মামলায় বিনা কারণে বেআইনি ভাবে তাকে আটকে করে রাখা হয়েছে। এ ধরণের মামলার জন্যে যে সাজা একটা হয়েছে। একি ধরণের মামলায় অন্যদের জামিন হয়ে গেছে। তারা জামিনে আছেন। কিন্তু খালেদা জিয়াকে কোনো জামিন দেওয়া হচ্ছে না দীর্ঘদিন ধরে। প্রতিবার সরকার তাকে বিভিন্নভাবে জামিনে বাধাগ্রস্থ করছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের মানবাধিকার যে প্ররিস্থিতি, এ পরিস্থিতি এতো ভয়াবহ কখনো ছিলো না। আমরা অত্যন্ত দুঃক্ষের সাথে লক্ষ্য করেছি গত ১০ বছরে বাংলাদেশে শুধু মাত্র ভিন্নমত, ভিন্ন রাজনীতিক চিন্তার কারণে ৩৫ লাখ মানুষকে রাজনীতিক মামলায় আসামী করা হয়েছে। মামলা দেওয়া হয়েছে প্রায় এক লক্ষ ৪ হাজার ৭ শত ১৪ টি। এর মধ্যে ২০০৯ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত সরকার দলীয় ও আওয়ামী লীগ হাতে বিরোধী দলের নেতাকর্মী মারা গেছে ১৫২৬ জন। হিসেব মতে বিএনপির ৭৯৫ জন। অন্যান্য ৭৩১ জন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, গোঠা বাংলাদেশে এমন অস্বস্তিকর অবস্থা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে মানুষ তার কোন অধিকারেই পাচ্ছে না। জোর করে নির্বাচনে মধ্যে মানুষের সমস্ত ভোট নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বেআইনভাবে তারা ক্ষমতায় বসে আছে এবং ক্ষমতায় ঠিকে থাকার জন্য তাদের এ কাজ গুলো করতে হচ্ছে।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, এ সরকার উন্নায়নের নামে মিথ্যা রটনা করে মানুষকে বোকা বাণানোর চেষ্ঠা করছে। সেটা কোনো দিন সম্ভব নয়। শুধুমাত্র উন্নায়ন দিয়েই জনগণের সমস্যা সমাধান করা যায় না। সে সঙ্গে যদি গণতন্ত্র না থাকে , গণতন্ত্রের পরিবেশ না থাকে তাহলে সে তা কথনোই ফলপ্রসু হতে পারে না।

Loading