৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:৫১
শিরোনাম:

স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন :ড. কামাল

গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন বলেছেন, স্বাধীনতাকে অসম্ভব মনে করা হতো, একাত্তরে সারা পৃথিবী বলেছে, বাংলাদেশ স্বাধীন হতে পারবে না। কিন্তু আমরা সেই অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলাম। এখন আমাদের অনেক রকম সমস্যা আছে। এগুলো মোকাবিলা করার জন্য সুষ্ঠু রাজনীতির প্রয়োজন আছে। একাত্তরে আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছি, তা গড়তে জাতীয় ঐক্য, জনগণের ঐক্যের প্রয়োজন আছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

গতকাল সোমবার সকালে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি এ কথা বলেন। ড. কামাল হোসেন বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড়ো অর্জন হলো স্বাধীনতা। জনগণের ঐক্যের শক্তিতে যেটা অর্জন করলাম। স্বাধীনতা অর্জনের পরে আমাদের কী কী লক্ষ্য, আমরা কী ধরনের সমাজ চাই, সমাজ পরিবর্তন চাই, ব্যবধান আছে ধনী এবং গরিবের মধ্যে, তা থেকে যদি আমরা মুক্ত করতে চাই সমাজকে, তাহলে সবাইকে এক হতে হবে। সমান সুযোগ সবাইকে নিশ্চিত করা উচিত, আত্মবিকাশের জন্য বঙ্গবন্ধু স্বাক্ষরিত সংবিধানেই এই চিত্রটি তুলে ধরা আছে। এখন এটা সবাই মিলে করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা যদি বিভক্ত হয়ে থাকি, তাহলে যারা শোষণ করতে চায়, দুর্নীতি করতে চায়, তারা সুযোগ পেয়ে যায়। এগুলোকে মোকাবিলা করতে হলে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন আছে। আমাদের আবেদন, ঐক্য, জনগণের ঐক্য।

গণতন্ত্রে কতদূর এগোল বাংলাদেশ—এ প্রশ্নে গণফোরাম সভাপতি বলেন, সংবিধানে এটা আমরা লিখে দিয়েছি, চার মূলনীতি। চার মূলনীতির মধ্যে গণতন্ত্র হলো এক নম্বর মূলনীতি। সেটাকে কার্যকর করতে হলে দরকার অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন। সেটা হচ্ছে কী? হচ্ছে না। জনগণের দাবির দিক থেকে আমরা নড়িনি। জনগণ কী ধরনের নির্বাচন চায়—অবাধ, নিরপেক্ষ, এটা হচ্ছে কী, হচ্ছে না। দেশের রাজনীতিতে কালো টাকার যে অভিশাপ ঢোকানো হয়েছে, এ কালো টাকা সুস্থ রাজনীতিকে অসুস্থ রাজনীতিতে পরিণত করেছে। টাকা দিয়ে আমরা ভোট কিনছি, ভোটবাক্স ভর্তি করছি। রাজাকারদের তালিকার বিষয়ে তিনি বলেন, যারা এই জঘন্য অপরাধ করেছেন, তাদের দোষী চিহ্নিত করে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমার কথা হচ্ছে, এত দেরি হলো কেন? ৫০ বছর পরে কেন? এ সরকার তো ১০ বছর ধরে আছে। এতদিন কী হলো? মানে এ ১০ বছরে কেন এটা সম্ভব হলো না? আরো ৫০ বছর লাগবে না-কি এগুলো করতে?

Loading