রাশিয়া এবং রাশিয়ান ফেডারেশনকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা। মিয়ানমার আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র। মিয়ানমারের ওপর রাশিয়ার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। তারা যদি অব্যাহতভাবে মিয়ানমারকে চাপ প্রয়োগ করে, তাহলে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হবে দেশটি।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে সোভিয়েত/রাশিয়ায় গ্রাজুয়েটদের পঞ্চম এশিয়ান কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আগে এবং পরে বাংলাদেশ এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক। শর্তহীন বিভিন্ন সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে থাকবে সোভিয়েত ইউনিয়ন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বদ্ধপরিকর। অর্থনৈতিক অগ্রগতি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। গত বছর আমাদের দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ছিল ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ। জিডিপির অগ্রগতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ৪৫টি দেশের মধ্যে শীর্ষে ছিল। শুধু জিডিপির অগ্রগতি নয় আমরা দারিদ্র্য দূরীকরণেও উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করেছি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সোভিয়েত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। সোভিয়েত রাশিয়ান অ্যালামনাইয়ের মাধ্যমে বহুমুখী বিদেশি বিনিয়োগের ফলে রাশিয়া এবং বাংলাদেশ, সেইসঙ্গে দু’দেশের মানুষের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর হবে।
তিনি সোভিয়েত রাশিয়ার গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে বলেন, রাশিয়া এবং রাশিয়ান ফেডারেশনকে আপনারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে বলুন। আমি আপনাদের অনুরোধ করবো আপনার বন্ধুদেরকে বলুন, বাংলাদেশ এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়। বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি বিস্ময়কর। এখানে বিনিয়োগ করলে উভয়পক্ষই লাভবান হবে।
![]()