৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:২৭
শিরোনাম:

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে আ.লীগের হ্যাঁ, বিএনপির না

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন ঘিরে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নিয়ে আবারও বিপরীত অবস্থানে আওয়ামী লীগ আর বিএনপি। ইভিএমএ সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে এ নির্বাচনে তা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে কমিশনের প্রতি আহ্বান বিএনপির। আর আওয়ামী লীগ বলছে, ইভিএমএ-ই স্বচ্ছতা নিশ্চিত সম্ভব। বিশেষজ্ঞরাও ভোট দিচ্ছেন যান্ত্রিক এ পদ্ধতির পক্ষে, তবে তা ব্যবহারে ইসিকে সতর্কতা বজায় রাখার তাগিদ তাদের। সময় টিভি

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তফসিলের দিনই সিইসি জানিয়ে দিয়েছিলেন এবার দুই সিটিতেই ভোটগ্রহণ হচ্ছে ইভিএমে। ক’দিন বাদেই সিইসি আবার সুর পাল্টিয়ে বক্তব্য দেন, সব রাজনৈতিক দল চাইলে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে তারা। এদিকে ইভিএম নিয়ে বরাবরই না বলছে বিএনপি। এবারও তারা বলছে, এ পদ্ধতির বিপক্ষে।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, এটা মানুষের তৈরি একটি পদ্ধতি। সে মানুষটাই যদি ঠিক না থাকে তাহলে ইভিএম দিয়ে কী হবে? ইভিএম দিয়ে এ দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না। তবে কমিশনের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। ইভিএমে ভোট কারচুপির সুযোগ নেই, তাই এর মধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব বলে মত দলটির।

আওয়ামী নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ ছিলো। ইভিএম আধুনিক প্রযুক্তি। নির্ভুল ফলাফল আসবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচন কমিশনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলে বাধা হবে না বরং সহায়ক হবে-এ ভোটিং মেশিন।

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমদ বলেন, ইভিএম মেশিনের কোনো দোষ নেই। প্রশাসন নিরপেক্ষ হলে ইভিএমে কোনো সমস্যা হবে না।

উত্তরের উপ-নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হলেও, দক্ষিণে এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে হতে যাচ্ছে সিটি নির্বাচন। তফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার দুই সিটিতে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর।

Loading