৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:২৭
শিরোনাম:

খুলনায় পাটকল শ্রমিকদের অনশন অব্যাহত

পাট খাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ, বকেয়া মজুরি পরিশোধসহ ১১ দফা দাবিতে খুলনায় চলছে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের শ্রমিকদের আমরণ অনশন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন সোমবার খালিশপুরের দৌলতপুর জুট মিল ও দিঘলিয়ার স্টার জুট মিলের শ্রমিকরা বিআইডিসি রোডে প্লাটিনাম পাটকলের ফটকের পূর্ব পাশে ও প্লাটিনাম জুট মিলের শ্রমিকরা মিলের পশ্চিম ফটকে প্যান্ডেল করে অনশন কর্মসূচি পালন করছেন। এছাড়া, ক্রিসেন্ট ও খালিশপুর জুট মিলের ফটকেও অনুরূপ প্যান্ডেল করে অনশন করছেন ওই দুই পাটকলের শ্রমিকরা। আটরা শিল্পাঞ্চলের আলিম ও ইস্টার্ন জুট মিলের শ্রমিকরাও তাদের পাটকলের ফটকে অনশন কর্মসূচি পালন করেছেন।

পাটকল শ্রমিকদের এ কর্মসূচির পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকেই খালিশপুর বিআইডিসি রোডের প্রবেশদ্বার আংশিক বন্ধ রাখা হয়েছে। ওই রোডে যাতে ভারী কোনো যানবাহন না ঢুকতে পারে, সেজন্য কাশিপুর মোড় ও কদমতলা মোড়ে ব্যারিকেড দেয়া হয়েছে। রিকশা, ইজিবাইক, বাইসাইকেল, মোটরসাইকেলের মতো হালকা যানবাহন ওই সড়কে চলাচল করছে।

আলিম জুট মিলের সিবিএ সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম লিটু বলেন, রোববার দুপুর থেকে অনশন করছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাব। মৃত্যু হলেও পরোয়া নেই।

তিনি বলেন, শ্রমিকরা মজুরি না পাওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তারা সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ, ঘরভাড়া দিতে পারছেন না। বাধ্য হয়েই আন্দোলনে নেমেছেন তারা। সকল সেক্টরে মজুরি কমিশন বাস্তবায়ন হলেও পাটকল শ্রমিকদের বেলাতেই শুধু অনীহা। মজুরি কমিশন বাস্তবায়ন, পাট খাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও পিপিপি বাতিলসহ ১১ দফা দাবিতে আমরা আন্দোলনে নেমেছি।

এর আগে ১১ দফা দাবিতে ১০ ডিসেম্বর থেকে অনশন কর্মসূচির ডাক দেয় রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল সিবিএ-নন সিবিএ সংগ্রাম পরিষদ।

অনশন কর্মসূচির চতুর্থ দিনে শ্রম প্রতিমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনশন স্থগিত ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীরা।

বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি) ও শ্রম মন্ত্রণালয়ে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে কোনো সমাধান না হওয়ায় আবারও অনশন কর্মসূচির ডাক দেন সংগ্রাম পরিষদের নেতারা।

Loading