৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:২৪
শিরোনাম:

ঢাবিতে ছাত্রদলের সমাবেশে তিন দফায় ককটেল বিষ্ফরণ

দেশব্যাপী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কর্মসূচীতে পুলিশী হামলার প্রতিবাদ এবং খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে তিন দফা ককটেল বিষ্ফরণের ঘটনা ঘটেছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

রবিবার (৫ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এই ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একই সাথে মধুর ক্যান্টিনেরও পাশেও দুটি ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। তবে এই বিস্ফরণের ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রদল। বেলা ১১টায় বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরবর্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

এসময় খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে বিভিন্ন ধরণের স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি গত ১ জানুয়ারি ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সারা দেশে ছাত্রলীগ ও পুলিশের হামলারও প্রতিবাদ জানান তারা।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহবায়ক রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সদস্য সচিব মো. আমানুল্লাহ আমানসহ কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। সেই সময় সমাবেশস্থলের পাশে একটি ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সে সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ভীতসন্ত্রস্থ হয়ে এদিক-ওদিক ছুটাছুটি করে।

ক্যাম্পাসে ককটেল বিষ্ফোরণের দায় ছাত্রলীগকে দায়ী করে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব আমানুল্লাহ আমান। তিনি প্রশাসনের ব্যর্থতাকে সমালোচনা করে বলেন, ‘প্রশাসনকে এর আগে বেশ কয়েকবার ককটেল বিস্ফোরণ এর ঘটনা জানানো হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি’।

ককটেল বিষ্ফরণের ঘটনায় বিষয়ে, ঢাবি প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রাব্বানী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন কোনো ধরণের অপ্রীতকর ঘটনা না ঘটে।

তিনি আরোও বলেন, আমার কাছে ছাত্রলীগ এবং ছাত্রদলে চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। ক্যাম্পাসে কোন কর্মসূচি পালন করার ক্ষেত্রে আরো সতর্ক হওয়ার জন্য ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রতি আহবান জানান তিনি। ক্যাম্পাসে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবসময় প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২৬, ২৯ এবং ৩০ ডিসেম্বর ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ৩০ ডিসেম্বর মধুর ক্যান্টিনের সামনে ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারী আহত হয়েছিলেন। এসব ঘটনায় ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেতারা একে অপরকে দোষারোপ করছেন।

Loading