৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:০৩
শিরোনাম:

মালয়েশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় অভিযানে ২শতাধিক বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় অভিবাসন বিভাগের অভিযানে ২শ বাংলাদেশীসহ আটক করা হয়েছে ৪ শতাধিক বিভিন্ন দেশের অভিবাসিদের। ৭ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার শাহ আলম, সেলাংগার, কেডাহ ও রাজধানী কুয়ালালামপুরের কনস্ট্রাকশন সাইটে অভিযান পরিচালনা করে ইমিগ্রেশন ও পুলিশ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

৭ জানুয়ারি শাহ আলমের বাতুকাভাহ, কোতা দামানছারার স্থানীয় সময় বিকাল তিনটায় পাচার রায়া, মেডান সেলেরা, রেস্টুরেন্টসহ ৭টি জায়গায় অভিযানে আটক করা হয় ২৬ জন বাংলাদেশিসহ ৮২ জনকে। এছাড়াও কেহডার আলোস্টারের কুলিমে একটি ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালিয়ে ৭০ জন বাংলাদেশিসহ ১৪৫ জনকে আটক করে। অপর এক অভিযানে আলোরস্টার ৫৬ বাংলাদেশিসহ ৭০ জনকে আটক করে।

৮ জানুয়ারি রাজধানীর বুকিত কিরিংছি ও কেপোং এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১২ বাংলাদেশিসহ ৩৪ জনকে আটক করে। সবশেষে ১০ জানুয়ারি শাহ আলমের একটি বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন সাইটে অভিযান চালিয়ে ৯৭ জনকে আটক করা হয়। এছাড়াও মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের অভিযানে প্রতিদিন কোথাও না কোথাও আটক হচ্ছে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা।

উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্ট থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সেদেশের সরকার ব্যাক ফর গুড কর্মসূচির ঘোষণা করে। অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফেরার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করছে অভিবাসন বিভাগ। চলতি মাসে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় তিন শতাধিক বাংলাদেশি আটক হয়েছে। এদিকে মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান কার্যক্রম আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন ইমেগ্রেশন বিভাগ।

এটা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে যা শুধু জাতীয় ও সীমান্ত নিরাপত্তাকেই বিঘ্নিত করে না বরং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপর ব্যপক প্রভাব ফেলছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে অবৈধ শ্রমিক বা অভিবাসীদের তাড়িয়ে দেয়ার কথা ঘোষণা করে একটি বিবৃতি দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ হওয়ার জন্য মালয়েশিয়া সরকার ২০১৭ সালে সুযোগ দেয়। শেষ হয় ২০১৮ সালের ৩০ শে আগস্ট। ঐ বৈধ হওয়ার সুযোগ পেয়ে বহু বাংলাদেশি রেজিস্ট্রেশন করে প্রতারণার শিকার হয়। এর পর অবৈধ অভিবাসীদের জন্য সেদেশের সরকার ব্যাক ফর গুড কর্মসূচির মাধ্যমে দেশ ত্যাগের সুযোগ দেয়। যা শেষ হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯।

Loading