৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:০৮
শিরোনাম:

বিএনপি চাইলে ঐক্যফ্রন্ট থেকে চলে যেতে পারে, বললেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (ভিডিও)

নির্বাচনের পর থেকেই ঐক্যফ্রন্টের মাঝে নিয়মিত বৈঠক হচ্ছে না এবং যৌথ কোনো কর্মসূচিও দেয়া হয়নি। ঐক্যফ্রন্টের কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ার পেছনে শরীক দলগুলোর মাঝে ঘনিষ্ট যোগাযোগ না থাকাই এর কারণ বলে মনে করছেন ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এজন্য জোটের বড় দল বিএনপির দায় বেশি বলে মনে করেন তিনি। আর সেজন্য জোট গঠনের এক বছরের বেশি সময়ে মূল লক্ষ্য বাস্তবায় সম্ভব হয়নি।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ঐক্যফ্রন্ট গঠন করে আমরা সফল হতে পারিনি। এই জোটে বড় মাপের নেতা আছেন কিন্তু তাদের দল ছোট। বড় দল হিসেবে আছে বিএনপি। আর বড় দলের সমস্যাও বড়। তবে ঐক্যফ্রন্টকে সফল করতে বিএনপির উচিত হবে এই ফ্রন্টকে নিয়ে মনোযোগী হওয়া। আর তারা যদি সেটি করতে না পারে তাহলে মনে করি তাদের বেরিয়ে যাওয়া উচিত। সেখানে আমাদের সমর্থন থাকবে।

তিনি বলেন, বিএনপির নেতারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার কথা বলেন। কিন্তু কাজ করেন একলা চলার নীতিতে। তাদের একা চলার ক্ষমতা ও সামর্থ আছে সেটি বিশ্বাস করি। তবে সেজন্য তাদের মাঠে নামতে হবে। এখন দেখা যায় বিএনপির নিউজ যায় পত্রিকার সাত নম্বর আট নম্বর পেজে। তার মানে হচ্ছে তাদের কথা সরকার ও জনগণ কেউ তেমন আমলে নিচ্ছে না। এভাবে চললে তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারে।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, বিএনপি অনেক বড় দল। বর্তমানে তাদের এক লাখের মতো কর্মী জামিনে আছেন। তাদের নিয়েই আন্দোলনে নামতে পারে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, দুনীতিসহ নানা ঘটনায় সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের অসোন্তষ রয়েছে। অথচ এতসব ইস্যু পেয়েও তারা আন্দোলনে নামতে পারে না। এজন্য স্থায়ী কমিটির ব্যর্থতার কথাই আমি বলব। অনেকেই বিএনপির এ অবস্থার জন্য তারেক রহমানকে দায়ী করেন। কিন্তু আমি মনে করি এখানে তারেকের ব্যর্থতা নেই, আছে স্থায়ী কমিটির।

২০দলীয় জোটকে দুর্বল করতে ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা হয়েছে, অনেক নেতার এমন অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, এটি ঠিক না। কারণ সেখানেও একটি দলের ওপরই সব নির্ভর করতো। তারা যে নিয়মিত মিটিং করতো তারও নজির নেই।

তিনি বলেন, বিএনপিকে টিকিয়ে রাখতে হলে তারেক রহমানের উচিত হবে স্কাইপেতে দিক নির্দেশনা না দিয়ে এখানকার স্থায়ী কমিটিকে পূর্ণ কর্তৃত্ব দিয়ে দেয়া। তার ওপর নির্ভরশীলতা বাড়তে থাকায় স্থায়ী কমিটি অচল হয়ে পড়েছে। তারা একটি প্রেস রিলিজ দিতে গেলেও তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে থাকে।বিএনপির একজন শুভাকাঙ্খী হিসেবে মনে করি স্থায়ী কমিটির ওপর দায়িত্ব দিয়ে তারেক রহমানের উচিত হবে বিদেশে লেখাপড়া করে নিজের আরও বেশি যোগ্যাতা বাড়ানো।

https://www.youtube.com/watch?v=LphE9bWjjmA&feature=emb_logo

Loading