৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:২৫
শিরোনাম:

পচাঁত্তরের ১৫ আগষ্ট হৃদয়বিদারক রক্তাক্ত ঘটনার পর আ.লীগের বড় একটি অংশ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে, বললেন রিজভী

তিনি আরো বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সেই সরকারের শপথ পাঠ করিয়েছেন।ওই সময় ৭৩ এ গঠিত সেই পার্লামেন্টই কার্যকর থাকে। এরপর চলে নানাধরণের নৈরাজ্যকর অবস্থা। এরকম একটি অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে সিপাহী-জনতা রাজপথে এগিয়ে এসে ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ঘটায়। মহান স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে নেতা হিসেবে তারা বরণ করে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র এই যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, এরপর থেকে আবারও শুরু হয় বহুদলীয় গণতন্ত্রের যাত্রা। অর্গলমুক্ত হয়ে বেরিয়ে আসে অসংখ্য সংবাদপত্র। মানুষ ফিরে পায় মত প্রকাশের স্বাধীনতা। দুর্ভিক্ষের হাহাকার থেকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয় দেশ। শুরু হয়-শিল্প ও কৃষি বিপ্লব, জনশক্তি রপ্তানী এবং সূচিত হয় স্বাধীন পররাষ্ট্র নীতি। বিশে^র দরবারে বাংলাদেশ একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

তিনি বলেন, কিন্তু দেশি-বিদেশি কুচুক্রী ষড়যন্ত্রকারীরা মহান স্বাধীনতার ঘোষক দেশপ্রেমিক জিয়াকে সহ্য করতে পারেনি। তাদের নিষ্ঠুর ষড়যন্ত্রের পরিণতিতে শহীদ হন এই মহান জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান।

রিজভী অভিযোগ করেন, গণতন্ত্রকে মাটিচাপা দেয়ার চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করতেই বারবার গণতন্ত্র পুণ:রুদ্ধারের আপোষহীন নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দী করে রাখা হয়েছে। আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যে হিংসা আর ভোট লুট ছাড়া অন্য কিছু নেই।

Loading