ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসু’র ভিপি নুরুল হক নূর বলেছেন, আমি আওয়ামী প্রশাসন এবং সরকারকে বলি ছাত্রলীগের লাগাম টেনে ধরুন অন্যথায় আপনাদের গদি ছাড়ার কারণ হবে এই সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে রাতভর নির্যাতনের শিকার ৪ জন শিক্ষার্থীদের উপর হামলার সুষ্ঠু বিচার এবং নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত মানববন্ধনে একথা বলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুর এক টা নাগাদ সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্যের ব্যানারে মানববন্ধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কয়েকশত শিক্ষার্থী। এসময় মানববন্ধনে তারা চার দফা দাবি পেশ করে।
১৯৯৫ কেজি খিচুড়ি রান্না করে বিশ্ব রেকর্ড ≣ সকল রাজকীয় দায়িত্ব ছাড়লেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান, আহত হয়েছে রাজপরিবার, জানালো বাকিংহাম প্যালেস ≣ মাদকের কারণে যে ব্যক্তির দাঁত পড়ে যায়, তার পক্ষে কাউকে টেনে নিয়ে ধর্ষণ তো দূরে থাক, নিজেকে টেনে তোলার ক্ষমতাই থাকে না
এসময় নূর বলেন, ছাত্রলীগের নির্যাতনের ঘটনা কোন নতুন বিষয় নয়। এই ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা বুয়েটে হামলা করেছে, আমি ভিপি হওয়ার পরেও এই সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে আমি নিরাপদ নয়; ডাকসুতে আমার উপর আমার সহকর্মীদের উপর হামলা করেছে এই ছাত্রলীগ। এই ছাত্রলীগ সরকারের পেটুয়া বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হয়ে গেছে ছাত্রলীগের মদদদাতার ভূমিকায়।
তিনি আরো বলেন, ছাত্রলীগ হলে হলে গেস্টরুম, গণরুম, নেতাকে প্রটোকল দেয়ার প্রোগ্রামের নাম করে যে দাসপ্রথা শুরু করেছে তার বিরুদ্ধে আমাদের সকলকে সচেতনভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা দরকার অন্যথায় এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সন্ত্রাসমুক্ত, নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠন করা কখনো সম্ভব নয়।
তদন্ত কমিটির বিষয়ে নুর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় অসংখ্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে সেই তদন্ত কমিটি গুলোর দৃশ্যমান পদক্ষেপ আমরা কখনো দেখিনি। কোন নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে একটি তৎক্ষনাৎ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় যেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নিশ্চুপ হয়ে যায়।এর পরে সেই তদন্ত কমিটির কোন কাজ আমরা দেখিনা।
এ সময়ে মানববন্ধনে ৪ দফা দাবি পেশ করেন। তাদের দাবিগুলো হলো, প্রক্টরের পদত্যাগ; হলে হলে গেস্টরুম, গণরুমের নামে যে নির্যাতন করা হয় তা বন্ধ করা এবং ১ম বর্ষ থেকে বৈধ সিটের ব্যবস্থা করা; ডাকসু, জহুরুল হক হল সহ সমস্ত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের ব্যবস্থা করা; সকলের জন্য নিরাপদ, ভয়হীন ক্যাম্পাস গঠন করা।
রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন শেষ করে তারা বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গা প্রদক্ষিণ করে।
![]()