নাভাইরাস প্রতিরোধে দেশে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তার আশা, এই ভাইরাস বাংলাদেশে আসবে না।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!মঙ্গলবার সচিবালয়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের বিষয়ে সরকারের প্রস্তুতি জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনের আগে এ বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই ভাইরাস খুব শিগগির ছড়িয়ে যায়। এটি যাতে বাংলাদেশে আসতে না পারে, এ জন্য দেশের সব বন্দরে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বার্তা পাঠানো হয়েছে। সেখানে স্ক্যানার যন্ত্র বসানো হয়েছে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া সব জেলা হাসপাতালগুলোতে আলাদা ওয়ার্ড করার জন্য সিভিল সার্জনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’
করোনাভাইরাসের ব্যাপারে দেশের সবাইকে সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সম্ভাব্য যত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, তা নেওয়া হয়েছে। চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রায় ৩০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আছেন। তাদের বিষয়ে খোঁজখবর রাখা হচ্ছে। কেউ এখনো আক্রান্ত হয়নি। চীন সরকার ১৪ দিনের মধ্যে কাউকে সেই শহরটি ত্যাগ করতে দেবে না বলে জানিয়েছে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আপাতত চীনে অপ্রয়োজনীয় কাজে না যাওয়ার জন্য বাংলাদেশিদের অনুরোধ করছি আমি। তিনি বলেন, এখনও এ ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। তবে জ্বর ও সর্দি কাশি হলে হাসপাতালে যাওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।
ঢাকায় সর্দি-কাশি নিয়ে ভর্তি এক রোগী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, সে বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হলে এর জবাব দেন সেখানে উপস্থিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, ‘একজন রোগী ভর্তি হয়েছিলেন। তিনি এখন সুস্থ, বাড়ি ফিরে যেতে চাইছেন। তার স্বাস্থ্যের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। সেগুলোর রিপোর্ট এখনো হাতে আসেনি।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত একাধিক চিকিৎসক জানিয়েছেন, এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর ব্যবস্থাপনা বিষয়েও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
![]()