রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!পটুয়াখালী প্রতিনিধি : রাষ্ট্রপতি এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বাংলাদেশের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করা। বর্তমানে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। গুণগত শিক্ষা ছাড়া শিক্ষা মূল্যহীন। উচ্চ শিক্ষা যাতে কোনভাবেই সার্টিফিকেট সর্বস্ব না হয় তা
সম্মিলিতভাবে নিশ্চিত করতে হবে। বুধবার বিকেলে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি শিক্ষার্থীদের উদ্যেশে বলেন, তোমাদের হতে হবে সদা সত্যান্বেষী এবং জ্ঞানালোকে সমৃদ্ধ। দল-মতের উর্ধ্বে থেকে নৈতিকভাবে বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী। দেশের কল্যানে আলোর দিশারী, জ্ঞানের ফেরিওয়ালা। বর্তমান প্রজম্মের শিক্ষার্থীরা
তোমাদের আদর্শ অনুসরণ করবে। যার প্রভাব পড়বে তার কর্মজীবনে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষক যখন তার মহান আদর্শ থেকে দূরে সরে নানান প্রাপ্তির পেছনে ছুটে বেড়ান, তখন নাবিকহীন নৌকার মতো দিকহারা হয়ে যায় শিক্ষার্থীরা। পথের সঠিক দিশা পায় না। তাই আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে জ্ঞান অর্জন ও বিতরণে নিবেদিত থাকবে জাতি তা প্রত্যাশা করে। রাষ্ট্রপতি বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে পলিথিন ও প্লাস্টিকের পানির বোতল নিষিদ্ধ করা উচিত। তা না হলে সারাদেশের পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। সবাই মিলে সাধারণ মানুষদের পলিথিন ও প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার না করার জন্য সচেতন করতে হবে।
যেভাবে পলিথিন ব্যাগ নিয়ে বাজার থেকে আসছি তাতে দেশ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সেদিকে আমরা নজর দিচ্ছিনা। এছাড়াও সেভেন-আপ, কোকো-কোলা, ফান্টা এবং ফাস্ট ফুট খেয়ে নিজেদের শেষ করে দিচ্ছি। তাই এদেশকে রক্ষার জন্য বর্তমান প্রজন্ম হিসেবে তোমাদের উদ্যোগ নিতে হবে। এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ এবং সমাবর্তন বক্তব্য রাখেন ইমেরিটাস প্রফেসর ড. এ কে আজাদ চৌধুরী। এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংসদ, দেশ বরেন্য শিক্ষাবিদগণ, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য, একাডেমিক কাউন্সিল সদস্য ও সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবর্তনে মোট ৩ হাজার ৭০৬ জনকে গ্র্যাজুয়েট সনদ এবং ৬৩ জনকে চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়।
![]()