৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:২৭
শিরোনাম:

দেশের সব এমআরপিকে ৫ বছরের মধ্যে ই-পাসপোর্টে পরিণত করা হবে, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বেগম শামসুন নাহারের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একথা জানান।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

মন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, আগামী ৫ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সব এমআরপি পাসপোর্টকে দেশ থেকে বিদায় জানানো হবে। তখন আর এমআরপি হাতে থাকবে না। সবার হাতেই তখন থাকবে ই-পাসপোর্ট।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ই-পাসপোর্ট আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ভ্রমণ দলিল। যুগের সঙ্গে আমরা এগিয়ে চলেছি। তাই মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট থেকে ই-পাসপোর্টে চলে আসলাম। যতদিন মেশিন রিডেবল শেষ না হবে এই কার্যক্রম একসঙ্গে চলবে।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঢাকার তিনটি অফিসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকার বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, উত্তরার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এবং যাত্রাবাড়ীর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ই-পাসপোর্ট চালু করা হয়েছে। ক্রমান্বয়ে ১৮ মাসের মধ্যে সব বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস এবং আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ই-পাসপোর্ট চালু করা হবে।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের অপর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কারাগারে বন্দি ধারণক্ষমতা ৪০ হাজার ৯৪৪ জন। কিন্তু আছে ৮৮ হাজার ৮৪ জন। বন্দি দ্বিগুণেরও বেশি। নতুন কারাগারকে কারাগার-১ ও পুরাতনগুলোকে কারাগার-২ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। কারাগার পাঁচটি বানানো হয়েছে আরো বানানো হবে। পুরাতণগুলোকে সম্প্রসারণ করা হবে।

ইয়াবা নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, আগামী ১৩ মার্চ মিয়ানমারের কাছে চতুর্থ বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। উক্ত বৈঠকে ফলপ্রসূ আলোচনা করা হবে বলে আশা করছি।

Loading