৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:০২
শিরোনাম:

খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তি নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি : মির্জা ফখরুল

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তাঁতী দলের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ কর্মসূচির আয়োজন করে দলটি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমি সেদিনও পরিষ্কার করে বলেছি এই কথাগুলো আপনারা তাকে (আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের) জিজ্ঞেস করেন না কেন? কারণ আমরা তো কোনো প্যারোল নিয়ে কথা বলিনি, আমাদের দল থেকে আজ পর্যন্ত বলেছি কি? তো এটা নিয়ে কথা বলা কতটা সঠিক হয়েছে সেটা তিনি বিবেচনা করবেন।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। তার শরীরে যে অবস্থা তাতে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সেজন্য আমরা বলেছি যে এই সরকার অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে তাকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে কারাগারের মধ্যে। অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া উচিত তাদেরি স্বার্থে। কারণ এই দেশে সত্যিকার অর্থে যদি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হয় সেটা বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া হবে না।

আইনি প্রক্রিয়ায় বিএনপির চেয়ারপারসনের মুক্তির না হলে প্যারোলে আবেদনের কোনো সম্ভাবনা রয়েছে কি-না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণ তার পরিবারের ব্যাপার। তারাই সিদ্ধান্ত নেবেন।

দলের চেয়ারপারসনের মুক্তির বিষয়ে বিএনপি কি করছে এমন প্রশ্নে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, খালেদা জিয়াকে বেআইনীভাবে একটা মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে তাকে কারাগারে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে এবং আমাদের সংবিধান অনুযায়ী তিনি জামিন যোগ্য। তিনি জামিন পেতে পারেন এবং পাওয়া উচিৎ ছিলো কিন্তু এ সরকার সম্পূর্ণ রাজনীতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে জামিন না দিয়ে আটক করে রেখেছে।এজন্য আমরা আন্দোলন করছি। গত দুই বছর ধরেই আমরা আন্দোলনের মধ্যেই আছি। আমরা বিশ্বাস করি জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া সেই মুক্তি দিতে সরকার বাধ্য হবে। অবশ্যই জনগণের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তারা এগিয়ে আসবে।

Loading