২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৩:৪৭
শিরোনাম:

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ারপথে এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন

নইন আবু নাঈম বাগেরহাট ঃ বাগেরহাট-৪ সংসদীয় আসনের উপ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হওয়ার
পথে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এ্যাড. মোঃ আমিরুল আলম মিলন। রবিবার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মিলনায়তনে উপ-নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র যাচাই শেষে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপন ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাজন কুমার মিস্ত্রীর মনোনয়ন পত্র বাতিল করেন উপ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ ইউনুস আলী। এর ফলে বর্তমানে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ্যাড. মোঃ আমিরুল আলম মিলন একক প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন পত্র জমাদানের শেষ দিনে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপন ও জাতীয় পার্টির মনোনিত প্রার্থী সাজন কুমার মিস্ত্রী মনোনয়ন পত্র জমা দেন। বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল হওয়ায় এই আসনে একক
প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ্যাড. মোঃ আমিরুল আলম মিলন।

খুলনিা বিভাগীয় নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপ-নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ ইউনুস আলী বলেন, ঋণ খেলাপি হওয়ায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাজন কুমার মিস্ত্রী‘র মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে। সময় মত পৌর কর পরিশোধে ব্যর্থতা ও খেলাপি ঋণ থাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান শিপনের মনোনয়ন পত্রটিও বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে এখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ্যাড. মোঃ আমিরুল আলম মিলন একক বৈধ প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, বাতিল প্রার্থীরা ২৬ তারিখের মধ্যে নির্বাচন কমিশন বরাবর তাদের প্রার্থীতা ফিরে পেতে নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে পারবেন। ২৯ তারিখের মধ্যে এই আবেদনের নিষ্পত্তি করবেন নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনেও যদি তাদের প্রার্থীতা বাতিল হয়। তাহলে ১ মার্চ এ্যাড. আমিরুল আলম মিলনকে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায়
নির্বাচিত ঘোষনা করা হবে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, ১০ জানুয়ারি ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোজাম্মেল হোসেন মৃত্যুবরণ করলে আসনটি
শূন্য হয়। ৬ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন। ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ২১ মার্চ ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।

Loading