২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৩:৫১
শিরোনাম:

শরনখোলায় ঘুরে বেড়িয়েও বেতননিচ্ছেন প্রধান শিক্ষক!

নইন আবু নাঈম, শরণখোলা প্রতিনিধি ঃবাগেরহাটের শরনখোলায় শিক্ষা কর্মকর্তার যোগসাজশে বিদ্যালয়ে বছরের পরবছর ধরে উপাস্থিত না থেকেও নিয়মিত বেতন ভাতা তুলেছেন এক প্রধানশিক্ষক। ওই শিক্ষক উপজেলার ৬৫নং দক্ষিন খোন্তাকাটা সরকারি প্রাথমিকবিদ্যালয়ে কর্মরত ।খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার খোন্তাকাটা এলাকার বাসিন্দা মোঃরফিকুল ইসলাম (ওরফে বালি বাবুল) ১৯৮৭ সালে ৬৫নং দক্ষিন খোন্তাকাটারেজিষ্টার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে মাত্র পাঁচশত টাকা বেতনেযোগদান করেন । পরবর্তীতে ২০১৩ সালে স্কুলটি জাতীয় করন হলে নানাসুযোগ সুবিধা ভোগ করতে শুরু করেন বাবুল। কিন্তু গত তিন বছর ধরেতিনি অসুস্থতার ভান করে চিকিৎসার নামে ঢাকা ,খুলনা ও রাঙ্গামাটি সহদেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়ালেও মেড়িকেল কিংম্বা ছুটির কোনআবেদন নেই সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে সহ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরে । তবে,কর্মক্ষেত্রে অনুপাস্থিত থাকলেও হাজিরা খাতায় বাবুলের স্বাক্ষর রয়েছে নিয়মিত ।এছাড়া তার হাজিরার বিভিন্ন অংশে (ফ্লুইড়) সাদা কালির ব্যাবহার রয়েছে ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

অপরদিকে, এ সুযোগে অন্য শিক্ষকরা তাদের খেয়াল খুশিমতো স্কুলটিপরিচালনা করায় পাঠদানে হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে দিন দিনকমছে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী। সম্প্রতি স্কুলটিতে গিয়ে মাত্র ২জন শিক্ষিকাসহ ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেনীর ৩টি ক্লাসে ১৪ জন শিক্ষার্থী দেখা যায় । এ সময়বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুলের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি শিক্ষিকাহেলেনা বেগম বলেন , স্যারে অসুস্থ তাই ২ বছর ধরে চিকিৎসা করাচ্ছেন বলেআমরা শুনেছি । বর্তমানে তিনি স্কুলে নেই , আমরা দু, জন শিক্ষক আছি ।তাই যে ভাবে পারছি ক্লাস নিচ্ছি। তবে,স্যারের ছুটির কোন কাগজ পত্রস্কুলে নেই । অনুপাস্থি থেকেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর কেন? এবং নিয়মিতকি ভাবে বেতন-ভাতা তুলছেন তা শিক্ষা অফিসের স্যারেরা জানেন । পরিচয়প্রকাশ না করার শর্তে, খোন্তাকাটা ইউনিয়নের এক প্রধান শিক্ষক বলেন,আমরা রাত দিন পরিশ্রম করে যে বেতন পাই বাবুল শিক্ষা কর্তাদের সাথেযোগসাজশ করে অসুস্থতার নাটক সাজিয়ে কোন প্রকার মেড়িকেল কিংম্বাছুটি না নিয়েই বছরের পর বছর ধরে দেশের ভিবিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেনএবং বেতন ভাতা সহ সরকারি সুযোগ সুবিধা নিয়মিত ভাবে ভোগ করেযাচ্ছেন। বিষয়টি কেউ খেয়াল করছেন না । তবে, ৭মার্চ (শনিবার) দুপুরেপ্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বাবুল মুঠোফোনে বলেন , তিনি দীর্ঘদিন ধরেডাইবেডিকস সহ নানা রোগে আক্রান্ত । তাই ঢাকায় রয়েছেন। এছাড়া মাঝেমধ্যে মৌখিক ছুটি নিয়ে চিকিৎসা করাতে বিভিন্ন জায়গায় যান ঠিক ।কিন্তু বছরের পর বছর স্কুল ফাঁকি দেওয়ার বিষয়টি মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি ।এ বিষয়ে বিদ্যালয়টি তদারকির দ্বায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারিশিক্ষা অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান পাইক বলেন ,অসুস্থার বিষয়ে ওই প্রধানশিক্ষক কোন ছুটি নেয়নি । বছরে ২০দিন ছুটি পাওনা তা নেয়ার জন্য মাঝেমধ্যে ফোন করে থাকেন ।। অপরদিকে , এ বিষয়ে জানতে চেয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃআশ্রাফুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করা হলে তিনি তারিসিভ করেননি। ##

Loading