বুধবার দুপুরে আই্ইডিসিআর থেকে ফেইসবুক লাইভে সংস্থাটির পরিচালক বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় ২ হাজার ৭৩০টি ফোন কল পাওয়া গেছে করোনা সংক্রান্ত। ৮২ জনকে টেস্ট করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কারো শরীরে করোনা ভাইরাস মেলেনি। এই নিয়ে ৭৯৪ জনের টেস্ট করা হয়েছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!ফ্লোরা বলেন, গত ১৮ তারিখ একজন আক্রান্ত হন। তিনি এলাকার একটি আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার শারীরিক সমস্যা বাড়লে ২১ তারিখ ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। ফ্লোরা বলেন, যিনি মারা গেছেন তিনি ৬৫ বছর বয়সী পুরুষ। তার ডায়াবেটিস ছিলো। হাইপার টেনশন ছিলো। এসব কারণেই তাকে আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।
আইইডিসিআরের পরিচালক বলেন, আইসোলেশনের ৪৭ ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে ৪৭ জন। সুস্থ্য হয়ে বাড়ি গেছেন আরো ২ জন। সর্বমোট সুস্থ হয়েছেন ৭ জন।
বাইরে থেকে যারা এসেছেন তাদের সঙ্গে অন্যরকম আচরণের ক্ষেত্রে ফ্লোরা বলেন, যারা মারা গেছেন তারা সবাই যে কোভিড-১৯ আক্রান্ত তা বলা যাবে না। বা যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে আছে তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা যাবে না। যারা বাইরে থেকে এসেছেন তারা সবাই করোনা আক্রান্ত নয়। লিমিটেড স্কেলে দুটো জায়গায় লোকাল ট্রান্সমিশন হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন । যে এলাকায় হয়েছে সেই এলাকাগুলো আটকে দিয়ে ট্রান্সমিশন ঠেকানোর চেষ্টা চলছেন।
তবে এখনো সারা বাংলাদেশ ব্যাপী লোকাল কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়নি। কারণ দুটি এলাকা ছাড়া এমন ঘটনা আর কোথাও ঘটেনি। তাই এখই বলা সময় হয়নি যে লোকাল ট্রান্সমিশন হয়েছে। তাছাড়া লোকাল ট্রান্সমিশন হওয়ার যে লক্ষণ তাও আইইডিসিআরের কাছে নেই। তাই ঘোষনা দেওয়ার সময় এখনো আসেনি।
![]()