৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:৫৭
শিরোনাম:

বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনকে ফেরত পাঠাতে ভারতের আপিল, উদ্যোগ নেই বিএনপির

বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য সালাহউদ্দীন আহমদের বরাত দিয়ে চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের শায়রুল কবির খান জানান, তিনি বলেনছেন, আমি মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছি। আমি আপিল করবো কেন? আমি কোনো আপিল করিনি। আপিল করেছে ভারতের সরকার। কিন্তু এক বছর অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত এর কোনো শুনানি হয়নি ওভাবেই রয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

শারীরিক অবস্থা সর্ম্পকে বিএনপির এই নেতা বলেন, আছি আলহামদুলিল্লাহ, দোয়া চাই দেশবাসির কাছে।

সালাহউদ্দিন আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাইলে তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ বলেন, আসলে নতুন কোনো তথ্য নেই। ও (সালাউদ্দিন) দেশে ফেরার জন্য আপিল করেছিল। সেটা ওভাবেই পড়ে আছে। আমাদের তো কোনো ক্ষমতা নেই। অগ্রগতি না হলে আমরা কী করব! আমরা তো অসহায়। এখন আর কোনো কিছু আশা করি না। সব আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছি। ঢাকা টাইমস

সালাহউদ্দিনের অনুপস্থিতিতে তাদের জীবনযাপন নানা দিক দিয়ে ব্যাহত হচ্ছে জানিয়ে হাসিনা আহমেদ বলেন, কোনোভাবে আল্লাহ চালায় নিচ্ছেন। গ্রামে কিছু জমি-জমা আছে সেগুলো দিয়ে চলতেছি। তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হয় কি না জানতে চাইলে হাসিনা আহমেদ বলেন, যখন ভালো লাগে যোগাযোগ করে। ইদানীং বেশি অসুস্থ হয়ে গেছে। এখন সব আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছে। কাউকে কিছু বলার নেই। আল্লাহ যদি সহায় হন তাহলে ইনশাল্লাহ উনি দেশে আসবেন। সালাহউদ্দিন আগে যেখানে ছিলেন, জামিনের পর সেখানেই আছেন বলে জানান তিনি।

সালাহউদ্দিনকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছেন কি না জানতে চাইলে হাসিনা আহমেদ বলেন, যোগাযোগ করে লাভ নেই। শুধু শুধু কোথায় কার কাছে যাব?

ছয় বছরের বেশি সময় ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ে আটকা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। ব্যবসা কিংবা রাজনীতির ব্যস্ততাও নেই। সরকারবিরোধী আন্দোলনে দলের সংকটকালে অজ্ঞাত স্থান থেকে বিবৃতি দিয়ে আলোচিত এই নেতাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দলের পক্ষ থেকে নেই কোনো জোরালো উদ্যোগ।

এ বিষয়ে জানতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার রিং করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

Loading