রাজধানী ঢাকা শহরে কাজ করেন ১ কোটি রিকশাচালক, দিনমজুর, কারখারা শ্রমিক, গৃহকর্মী। শাটডাউন শুরুর আগেই তারা তড়িঘরি করে নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন। পৃথিবীর অন্যতম ব্যস্ত নগরী ঢাকা এরপর থেকে নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে আছে। উইফোরাম
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!ঢাকাকে পৃথিবীর অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির শহর বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। এ শহরের অর্থনীতির প্রাণ যারা ছিলেন, তারা এখন জানেন না কি খাবেন? একজন রিকশাচালকের পক্ষে কোনওভাবেই বেশিদিন কাজ না করে থাকা সম্ভব নয়।
বিশ্বব্যাংকের দেয়া তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের ১৫ শতাংশ মানুষ দৈনিক ৫০০ টাকার কম আয় করেন। যা দৈনন্দিন খরচেই চলে যায়। আর গ্রামের মানুষের নির্ভরতার জায়গা বিদেশ থেকে আসা রেমিটেন্স। বৈশ্বিক সঙ্কটে সে নিশ্চয়তাও আর নেই।
থিংকট্যাংক সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডির নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, বাংলাদেশ ৩ টি সঙ্কট নিয়ে ত্রিশঙ্কু অবস্থায় রয়েছে। এগুলো হলো স্বাস্থ্য সঙ্কট, মানুবক সঙ্কট ও অর্থনৈনিতক সঙ্কট। সরকারি হিসেবেই দেশের ২০ শতাংশ মানুষ দারিদ্রসীমা আর ১০ শতাংশ চরম দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করেন। তাদের কারোরই সঞ্চয় নেই।
ড. মুস্তাফিজুর জানান দেশের শ্রমবাজার ৬ কোটি ১০ লাখ মানুষের। তার মধ্যে ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ মাসিক বেতন পান। বাকিরা দৈনিক মজুরির উপর নির্ভরশীল। ২ কোটি ৭০ লাখ মানুষ স্ব কর্মসংস্থানে নিয়োজিত। বর্তমানে তাদের কোনও আয় নেই।
ড. মুস্তাফিজুর আরও বলেন গ্রামীণ এলাকায় সরকারের বেশকিছু সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি রয়েছে। তা বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও জোরদার করা হয়েছে। কিন্তু শহর ও শহরতলীতে এ ধরণের কোনও কর্মসূচি নেই। ফলে মানবিক সঙ্কট প্রধানত দেখা দেবে শহুরে এলাকাতেই।
উইফোরাম বলছে, বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ মানুষ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন। স্বাস্থ্য বীমা এখানে বিলাসিতা, এবং অধিকাংশ বাড়িতে ইন্টারনেট নেই। অধিকাংশ কাজই বাড়িতে বসে করা অসম্ভব।
![]()