৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:১৫
শিরোনাম:

স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না করেই পোশাক কারখানা খোলা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত, গণহত্যার পরিকল্পনাও বলা যেতে পারে

বক্তব্যের প্রথম কথাটি বলেছেন গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক জলি তালুকদার। এবং দ্বিতীয় কথাটি বলেছেন শ্রমিক সংহতির সাধারন সম্পাদক আবু হাসান দিপু।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জলি তালুকদার বলেন, অনেক কারখানা শ্রমিক আজ ফোন দিয়ে জানিয়েছেন, কারখানাগুলোতে প্রবেশে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয়নি। ২ থেকে ৩ জন শ্রমিক জর নিয়েই কারখানায় প্রবেশ করেছে।

তিনি বলেন, মেশিন থেকে শুরু করে প্রতি পদক্ষেপে সংক্রমনের ঝুঁকি থাকে। কাজের পদ্ধতি এমন যে, শ্রমিকরা কারখানাগুলোতে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত না করেই কাজ করতে হয়।

আরও বলেন, অনেক কারখানাতে এখনো ৫ মাসের বেতন বয়েকা আছে বলে দাবি করেন তিনি। ব্যাপক পরিমান ছাঁটাই ও লে-অফের ঘটনা ঘটেছে। প্রণোদনাসহ আরো সুবিধা আদায়ে প্রপাকাÐার মধ্যে এক ধরনের চাপ তৈরি করতে চায় মালিক সংগঠন।

শ্রমিক সংহতির সাধারন সম্পাদক আবু হাসান দিপু বলেন, মালিক পক্ষের কর্মকাণ্ডে মনে হচ্ছে দেশের সরকারের মধ্যে তারা আরেকটা সরকার হিসেবে পরিচিত হয়েছে। জানান, নিঃসন্দেহে জাতীর কাছে তাদের এই অপকর্মের জবাব দিতে হবে।

স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা নিয়ে মালিকরা ধাপ্পাবজি করছে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, কারখানার কাপড় দিয়ে তৈরি মাস্ক ও হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করাই কারখানা মালিকদের স্বাস্থ্যবিধি। এতে শুধু ৪৫ লাখ পোশাক শ্রমিক নয় বরং বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

সংগঠনের এই নেতৃস্থানীয়রা জানান, মালিকপক্ষের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত ও ৩০ শতাংশ শ্রমিক (কারখানার আশেপাশে থাকা) দিয়ে কাজ করানোর বক্তব্য শুধুমাত্র মিডিয়াতে প্রকাশের জন্য। শ্রমিক নেতারা বিষয়টিকে অসত্ব্য ও প্রপাগান্ডা বলছেন। বাস্তবতা হিসেবে বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ চাকরি হারানো ও বেতন না পাওয়ার ভয় দেখিয়ে উপস্থিতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

Loading