২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:২৯
শিরোনাম:

কি দূর্ভাগ্য ইমনের !মা-বাবার হাত ধরে কান্না করার সেই ভাগ্যও নেই

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : মো.ইমন হোসেন। বয়স ১৯ বছর। ছোট বেলায় মাকে হারিয়েছে। বাবাও সংসার পেতেছেন নতুন করে। সেই নুতন সংসারে জায়গা হয়নি তার। পরে ঠাঁই হয় পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার ইউসুফপুর গ্রামের তার মামা বাড়িতে। কি দূর্ভাগ্য ! ২৬ এপ্রিল (রবিবার) সন্ধ্যায় নানার বাড়ি থেকে মামা হিমু কবিরাজের বাসায় যাওয়ার পথে হঠাৎ বজ্রপাতে তার সারা শরীর ঝলসে যায়। বর্তমানে সে ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন এ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি
ইনস্টিটিউটে মিত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মা, বাবার হাত ধরে কান্না করবে সেই ভাগ্য টুকুও নেই। অসহয়,এতিম অতিদরিদ্র ছেলেটি একটু সাহয্য পেলে, আবারও সুষ্ঠু হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করেতে পারবে। এমনটাই আশা করেছেন কোরআনের হাফেজ ইমনের স্বজনরা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বজ্রপাতে ঝলসে যাওয়া ইমনের মামা হিমু বলেন, ইমনের যখন তিন মাস বয়স, তখন তার মা পৃথিবী থেকে চলে যায়। বাবাও তার খোঁজ নেননি। এর পর আমার বাড়িতে থেকেই সে হাফিজী লোখা পড়া করে আসছে। কোরআনের ২৮ পারার হাফেজ ইমনের জীবনে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক দূর্ঘটন। বজ্রপাতে তার সারা শরীর ঝলসে যায়। বর্তমানে সে ঢাকায় শেখ হাসিনা
বার্ন এ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছে। দীর্ঘ মেয়াদী চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে
দাঁড়িয়েছে। তাই দেশের সকল বিত্ত্ববানদের কছে সহযোগিতা কমনা করছেন দরিদ্র মামা হিমু কবিরাজ। তিনি বলেন, আমার ভাগ্নের পাশে আপনারা না দাড়াঁলে তাকে সুচিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়। আপনাদেরই সহযোগীতায় এতিম মেধাবী ইমন আরও স্বাভাবিক জীবন যাপন করেতে পারবে।

Loading