২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৩০
শিরোনাম:

করোনয় আক্রান্তের সংখ্যা রাজধানীতেই বেশি, তবুও ঘরে থাকছে না মানুষ

ঢাকায় একের পর এক এলাকা সংক্রমিত হলেও, নিয়ম মানার প্রবণতা নেই কোথাও। কাকরাইল এলাকায় ১৫০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হলেও মোড়ে মোড়ে যানবাহন আর মানুষের জটলা চোখে পড়েছে। বাজারে রয়েছে ভিড়ও

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

যাত্রাবাড়ি এলাকায় এ পর্যন্ত ১০১ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হলেও মোড়গুলোতে রিকশার ভিড়। অঘোষিত লকডাউনে থাকা ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় রাস্তার মোড়ে যাত্রীর আশায় বসে আছেন রাইড শেয়ারিং অ্যাপের চালক। নেই গ্লাভস বা মাস্ক ব্যবহারের বালাই। পথচারির বলছেন, আমাদের করোনা নাই। গার্মেন্টস খুলছে। এ কারণে যেতে হচ্ছে।

রাজধানীতে ৪ হাজারের বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন। তারপরও ঘর থেকে বের হচ্ছে মানুষ। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জোরালো তৎপরতা রয়েছে। কিন্তু ঘরে থাকছে না মানুষ। মগবাজারের দোকানিরা বলেন, প্রথম দিকে পুলিশের তৎপরতা অনেক ছিলো। এখন আর নাই। গার্মেন্ট খুলছে। লোকজনতো হাটাচলা করবোই। এলাকাবাসীই বলছেন এমন চললে আক্রান্তের সংখ্যা আরো বাড়বে। রাজধানীর অধিকাংশ লোকই মনে করেন, সরকার গার্মেন্টস না খুলতে এমটি হতো না।

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, গার্মেন্ট খুলছে বলেই সবাই বেড়িয়ে আসতে হবে? এমনটি করা ঠিক হচ্ছে না। স্বাস্থ্য বিধি মানা উচিত।

সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষক তৌহিদ হক বলেন, মানুষের পকেটে টাকার অভাব আছে। আইন মানার বাধ্যবাধকতা নেই তাদের। আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি খাওয়ার সংস্থানও করতে হবে সরকারকেই। ডিএমপি গণমাধ্যম শাখার ডিসি মাসুদুর রহমান বলেন, আমরাই কি সব করবো। মানুষের কি নিজের কিছু করার নেই। সবাই নিয়ম অমান্য করে বাইরে চলে আসলে পুলিশের কি করনীয় আছে। সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

Loading