করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর অনেক হাসপাতালেই চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে বেসরকারি হাসপাতালে সাধারণ রোগীরাও চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। রোগীদের চিকিৎসা সেবা না দেয়াকে বেআইনি বলছেন আইনজীবীরা।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ মাহমুদ বাশার বলেন, রোগীকে চিকিৎসা সেবা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বা অবহেলা করলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ম্যাডিকেল প্রাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরি অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ অনুযায়ী তদন্ত করবে। ১১ ধারা অনুযায়ী তদন্ত করে ১৩ ধারার বিধান মতে সংশ্লিষ্ট ডাক্তার ও প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল এবং প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করতে পারবেন।
তিনি বলেন, কোন অনিয়ম হলে মালিকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রয়েছে। সেইসঙ্গে ভোক্তভূগী চাইলে উচ্চ আদালতেও যাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।
ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিক ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ রাখা বা চিকিৎসা না দেয়া খুবই উদ্বেগজনক।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্যই তারা সরকারের নিকট থেকে লাইসেন্স নিয়েছে। তাই সেবা না দিলে বা শর্ত ভঙ্গ করলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আইন অনুযায়ী তাদের লাইসেন্স বাতিল করতে পারবে।
![]()