৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:৫৮
শিরোনাম:

বিটিআরসিকে ডিজিটাল জগতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় প্রধান পুলিশী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে : মির্জা ফখরুল

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগের নামে সরকারের স্বৈরাচারী আচরণের প্রতিবাদে বিএনপির মহাসচিব বলেন, দেশে একটি কার্যকরী মানহানি আইন থাকা স্বত্তেও নির্যাতন ও হয়রানীর উদ্দেশ্যে ডিজিটাল আইনকেই বার বার ব্যবহার করছে সরকার।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকারতো দূরে থাক মানুষ তার কষ্টের কথাও যাতে ভার্চুয়াল জগতে প্রকাশ করতে না পারে তার জন্য একের পর এক পরিপত্র জারি করে চলেছে সরকার। গত কয়েকদিনে দেশের কয়েক জায়গায় বিভিন্ন সামাজিক গণমাধ্যমে সরকারের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার অব্যবস্থাপনা ও ব্যার্থতার উপর লেখালেখি করার কারণে বেশ কয়েক জনকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নুতন করে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, গত ৫ মে ‘গুজব ছড়ানো’র অভিযোগে সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট , লেখক ও ব্যাবসায়ী এবং ৫/৬ জন অজ্ঞাতনামাসহ ১৬/১৭ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছে র‌্যাব। ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪ জনকে। তারা হলেন, আহমেদ কবির কিশোর(কার্টুনিস্ট), দিদারুল আলম ভুইয়া(সমাজ কর্মী), মোস্তাক আহম্মেদ(ব্যাবসায়ী) এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক মিনহাজ মান্নানকে।

তিনি বলেন, এর আগে সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলকে নাটকীয়ভাবে ৫৩ দিন পর ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং পরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে পিছনে হাতমোড়া অবস্থায় হ্যান্ডকাফ পড়া সাংবাদিকের ছবিসহ সংবাদ, ডিজিটাল আইনকে সরকার কি ভাবে সাংবাদিক ও সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে চলছে তার একটি উৎকৃষ্ট প্রমাণ।

শনিবার সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনরে রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

Loading