৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:০১
শিরোনাম:

বিদেশি কূটনীতিকদের টুইট নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন এটা অগ্রহণযোগ্য, তারা রাজনীতির মহড়ায় চলে গেছেন

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাত রাষ্ট্রদূতের টুইটের পরে এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন মিষ্টার মোমেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তাদের কোনো বক্তব্য থাকলে তা তারা কূটনৈতিক চ্যানেলে পাঠাতে বা বলতে পারতেন। সেটা না করে জটলা পাকিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।

আমরা আমাদের মতো করে দেশ পরিচালনা করছি।

তাদের এই টুইট খুবই হতাশাজনক এবং দুঃখজনক, এটা কোনোভাবেই ঠিক হয়নি।

বিদেশে আমিও রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেছি, সেসব দেশে কূটনীতিকদের এরকম কথা বলতে দেখিনি। পৃথিবীর আর কোথাও এভাবে হয়না।

বাকস্বাধীনতার মর্যাদার সঙ্গে দায়বদ্ধতার বিষয়টি জড়িত।

তারা যদি পোশাকশিল্পের ক্রয়াদেশ বাতিল, আমাদের অভিবাসীদের নিরাপত্তা ও সহায়তা নিয়ে কথা বলতেন আমরা এতে খুব খুশি হতাম।

আমি খুবই খুশি হতাম, তারা যদি জটলা পাকিয়ে বিবৃতি দিয়ে বলতেন রাখাইনে যুদ্ধ হচ্ছে, এটা বন্ধ করা উচিত।

করোনাভাইরাসের মতো মহামারির সময় নির্ভরযোগ্য ও বাস্তবভিত্তিক তথ্য প্রচার নিশ্চিত করার স্বার্থে গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের ওপর গুরুত্ব তুলে ধরে বৃহস্পতিবার টুইট করেছিলেন দূতেরা।

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, বৃটিশ হাই কমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তেরিঙ্ক, ডাচ রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভেরওয়েজ, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত শার্লোট স্লাইটার ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এসট্রাপ পিটারসন আলাদা ভাবে টুইট করেছিলেন।

Loading