আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, এই দুর্যোগে অহেতুক অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে বিরত থাকুন। ব্যাপক উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠার মধ্যেই দেশের সব প্রান্তে করোনা ছড়িয়ে পড়ছে। জীবন এবং জীবিকা এ দুইয়ের জন্যই আমরা লড়াই করছি। করোনার প্রকোপ যত বৃদ্ধি পাচ্ছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতাও ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রকাশ পেয়েছে আমাদের সামর্থ্যের ঘাটতি এবং সমন্বয়ের অভাব। চেষ্টা করা হচ্ছে এ দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!তিনি বলেন, এ উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে আমার আশা এবং ভরসার জায়গা একটাই সেটা হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যিনি শুরু থেকেই সীমিত সামর্থ্য নিয়ে লড়াই করে যাচ্ছেন। সব সময় তিনি প্রতিটি কাজের তদারকি করছেন, প্রয়োজনীয় নির্দেশানা দিচ্ছেন, সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে মনিটরিং করছেন। জীবন রক্ষা এবং জীবিকার ব্যাপারে অত্যন্ত দূরদৃষ্টি সম্পন্ন এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পদক্ষেপ নিয়েছেন। আশা করি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা এ দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠতে পারবো।
হানিফ বলেন, এ সংকটকালে জাতির প্রত্যাশা ছিল দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাই আন্তরিক এবং মানবিক হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ কঠিন সময়ে করোনা নিয়েও রাজনীতি বন্ধ হয়নি। চলছে পরস্পর দোষারোপ, চলছে কাদা ছোড়াছুড়ি।
তিনি বলেন, সাংবাদিক বন্ধুদের প্রতি অনুরোধ, এ দুর্যোগে চিকিৎসক বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট সেবা কর্তৃপক্ষের মতামত ও তাদের সিদ্ধান্ত, পরামর্শ জাতির সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করুন। যার মাধ্যমে জনগণ উপকৃত হবে।
সোমবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
![]()