২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:৪০
শিরোনাম:

পরিবহন শ্রমিকদের এবারের ঈদ হবে করুণ হালে

করোনাভাইরাসের কারণে গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণার পর কর্মহীন হয়ে পড়েছেন দেশের সড়ক পথের পরিবহন শ্রমিকরা। শ্রমিকদের পরিবার নিয়ে এখন অনাহারে-অর্ধাহারে অমানবিক জীবন কাটছে। রাত পোহালেই ঈদ। খোঁজ নেই কল্যাণ ফান্ডের টাকার।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাহজাহান খান বলেন, দলীয় ভাবে এবং সরকারি ভাবে শ্রমিকদের সহায়তার চেষ্টা চলছে। শিঘ্রই আমরা ব্যবস্থা করতে পারবো।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্যাহ বলেন, আমরা চেষ্টা করছি। বর্তমানে যে যে অবস্থায় আছে সেখান থেকে চেষ্টা করছেন মালিকরা। তারপরেও আমরা তাকিয়ে আছি সরকারের সিদ্ধান্তের দিকে।

এরই মধ্যে পরিবার পরিজনদের মুখে খাদ্য তুলে দিতে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন শ্রমিকরা। নানা উপায়ে চাঁদার টাকা নেয়া পরিবহন শ্রমিক নেতারা এখন অনেকটায় উধাও হয়েছেন।

সূত্র জানায়, ফেডারেশনের তহবিলে বিপুল পরিমাণ টাকা থাকলেও কোনো কাজে আসছে না। এরই মধ্যে অর্ধাহারে অনাহারে বিপর্যস্ত পরিবহন শ্রমিকরা খাদ্য সহায়তার দাবিতে ঢাকায় কয়েক দফা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। এরই মধ্যে রাজধানীর ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, সাভার এবং ঢাকার বাইরে কুড়িগ্রাম ও বরিশালেও শ্রমিক বিক্ষোভ হয়েছে। তারা বলেছেন, হয় গণপরিবহন চালু করতে হবে, নতুবা তাদের খাদ্য সাহায্য দিতে হবে।

সূত্রমতে, পরিবহন মালিক সমিতি, পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সংগঠন পরিচালনা ব্যয়, শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য স্বাভাবিক সময়ে বাহারি নামে বৈধ-অবৈধ বছরে কমপক্ষে দুই হাজার কোটি টাকা তোলা হয়ে থাকে। করোনাকালে ৭০ লাখ পরিবহন শ্রমিক পরিবার পরিজন নিয়ে অর্ধহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন।

মহাখালীর টার্মিনালের একাধিক শ্রমিক জানান, আমরা এখন বেকার অবস্থায় দুর্বিষহ জীবনযাপন করছি। কেউ আমাদের খোঁজখবর নিচ্ছে না। পরিবহন সেক্টরের বেশিরভাগ শ্রমিকই দৈনিক কাজের ভিত্তিতে মজুরি পায় এবং সে আয়েই তাদের দৈনন্দিন সংসার চলে। এখন আমরা কি করবো।

Loading