২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:৪৬
শিরোনাম:

করোনায় মৃতের লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়ার পর উদ্ধার করে দাফন করলো পুলিশ

লালমনিরহাটের বুড়িমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের হুমকিতে এক তরুণীর লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়। পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা গোলাম মোস্তফার মেয়ে মৌসুমী আক্তার গাজিপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। গত ২২ মে অসুস্থতা অনুভব করলে একটি ট্রাক যোগে পাটগ্রামে বাড়ির উদ্দশ্যে রওনা দেন তিনি।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

পথিমধ্যে রংপুরের তাজহাট এলাকায় পৌঁছলে ট্রাক চালক তাকে মৃত দেখে মরদেহ ফেলে পালিয়ে যান। অজ্ঞাত মরদেহ হিসেবে তাজহাট থানা পুলিশ ২৩ মে মৌসুমীর মরদহ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহতে বাবা গোলাম মোস্তফা তাজহাট থানায় গিয়ে মেয়ের মরদেহ সনাক্ত করেন।

মেয়ের মরদেহ বুঝে নিয়ে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদর চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাতকে মোবাইলে বিষয়টি জানিয়ে নিজ এলাকায় মরদহ দাফনের অনুমতি চান। কিন্তু চেয়ারম্যান ওই মরদেহ করোনায় আক্রান্ত সন্দেহে তার পরিবার ও মরদেহবাহি গাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার হুমকী দেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

অবশেষে নিরুপায় হয়ে গরিব বাবা আঞ্জুমান মফিজুলে মেয়ের মরদেহ দাফন করতে তাজহাট এলাকার একজন লাশবাহি গাড়ি চালককে ৫হাজার টাকা প্রদান করেন। তারা মরদেহ দাফনের আশ্বাস দিয়ে বাবাকে বাড়ি পাঠিয়ে মরদেহটি তিস্তা নদীতে ফেলে দেন। দুই দিন পরে স্থানীয়দের খবরে ২৪ মে রাতে উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্দ্ধন গ্রামে তিস্তা নদী থেকে সরকারী ব্যাগে মোড়ানো অজ্ঞাত মরদেহটি উদ্ধার করে আদিতমারী থানা পুলিশ। ২৫ মে ঈদের নামাজ শেষে আদিতমারী থানা পুলিশ মরদেহটির জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নিতেই পরিচয় সনাক্ত করেন মৃতের বাবা গোলাম মোস্তফা। অবশেষে আদিতমারী থানা পুলিশ পাটগ্রাম থানা পুলিশের সহায়তায় নিজ গ্রামে মৃত মৌসুমীকে দাফন করে। সূত্র : রংপুর, বাংলাদেশ পেইজ।

Loading