লাদাখ সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির বৈঠক।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) সাধারণ সম্পাদক এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান শি জিং পিং মঙ্গলবার বেইজিং এ কংগ্রেস অধিবেশনে পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এবং পিপলস আর্মড পুলিশ ফোর্সের প্রতিনিধিদের একটি প্লেনারি বৈঠকে এ নির্দেশ দেন। তিনি সশস্ত্রবাহিনীকে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি ও প্রস্তুত থাকতে বলেন। সূত্র: বিবিসি, এনডিটিভি, সিনহুয়া।
মঙ্গলবারই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকের আগে তিন বাহিনীর প্রধান প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সীমান্ত পরিস্থিতি ও তা মোকাবেলায় প্রস্তুতির কথা অবহিত করেন।
বিবিসি জানায়, চীনের সেনারা এবার ঘাঁটি তৈরি করেছে লাদাখের গালওয়ান ভ্যালির মতো সম্পূর্ণ নতুন জায়গাতে। সাম্প্রতিকালে চীনের সেনাবাহিনী এই ‘এলএসি’ বরাবর চার জায়গায় অনুপ্রবেশ করে অবস্থান নিয়েছে। এ এলাকাগুলো হচ্ছে লাদাখের প্যাংগং সো বা প্যাংগং লেক, গালওয়ান নালা ও ডেমচক আর সিকিমের নাকুলা।
ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক অজয় শুক্লা তার বøগে লিখেছেন, এই প্রথম সমগ্র গালওয়ান ভ্যালিকেই চীন নিজেদের বলে দাবি করছে।
গত কয়েকদিনে দু’দেশের সেনাদের মধ্যে কয়েকদফা মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দু’পক্ষের অনেক সেনা আহত হয়েছে।
চীনে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত অশোক কান্থা মনে করেন, প্রতি গ্রীস্মে দুদেশের সেনাদের মধ্যে যেমন হাতাহাতি বা মারামারি হয় তার চেয়ে এবারের সংঘাত কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা। অশোক কান্থা বিবিসিকে বলেন, প্রথমত চীন এবার অনেক বেশি আগ্রাসী, দ্বিতীয়ত একসঙ্গে অনেকগুলো জায়গায় হামলা চালাচ্ছে আর গালওয়ান ভ্যালিতে এলএসি-র নতুন ব্যাখ্যা এনে নতুন একটা ফ্রন্ট খুলতে চাইছে। তিনি বলেন, এর কারণ কী বলা মুশকিল, তবে হতে পারে তারা বিতর্কিত সীমানার ওপর নিজেদের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ভারত ও চীনের মধ্যে কোনও সুনির্দিষ্ট ও সুচিহ্নিত আন্তর্জাতিক সীমানা নেই, এর পরিবর্তে রয়েছে কয়েক হাজার কিলোমিটার লম্বা একটি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল(এলএসি), যা লাদাখ থেকে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
![]()