৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:৪১
শিরোনাম:

ওষুধ নিয়ে যেভাবে বাটপারি হচ্ছে, আমি সুস্থ হলেও ফের অসুস্থ হয়ে যাবো : ডা. জাফরুল্লাহ

শরীর খুব বেশি খারাপ না হলেও খুব বেশি ভালো বলা যাবে না। তিনি জানান, গলাব্যথা বেড়েছে। ইনফেকশনের কারণে এমন হচ্ছে। তার স্ত্রীরও গলায় সমস্যা হচ্ছে, কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। স্ত্রী-সন্তান বাসাতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন, ডা. জাফরুল্লাহ গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা নিজের এ অবস্থাতেও নিজের চেয়ে বেশি ভাবছেন মানুষের কথা।   গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বর্তমান পরিস্থিতি তার হতাশার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি সুস্থ হয়ে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়ব। কারণ যেভাবে লোক ঠকানো হচ্ছে। একটা ইনজেকশনের দাম ১০ হাজার টাকা। আমাকে বলছে আপনার তো টাকা লাগবে না ইনজেকশন নিতে। আমি বলছি, ভালোই তো বাটপারি শুরু করছো। আমাকে বিনা পয়সায় দেবা আর লোকজনের গলা কাটবা। জনগণ প্রতারণার শিকার হবে।’

ডা.  জাফরুল্লাহ বলেন, ‘অনেকগুলো কোম্পানি আছে। কয়টার আর নাম বলব। এক লাখ টাকা দিয়ে চিকিৎসা করানো কার পক্ষে সম্ভব। ডা. জাফরুল্লাহ এক লাখ টাকা দিয়ে চিকিৎসা করাইতে পারবে? আমি যদি এত টাকা দিয়ে চিকিৎসা করাইতে পারি, তাহলে আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান করা উচিত, এত টাকা কোথায় পাইলাম। আমি যদি ওই চিকিৎসা গ্রহণ করি, তাহলে আমার নামে দুদকের অনুসন্ধান করা উচিৎ। প্রতারণার একটা সীমা থাকা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘ওই ওষুধ তো দেখছি সোনার চেয়েও বেশি দাম। সরকার যদি ওষুধের মূল্য স্থির না করে, তাহলে যখন কোনো ওষুধের নাম বলা হবে, তখনই তার দামও বলতে হবে। জনগণকে জানাতে হবে ওষুধের দাম। না হলে জনগণের মনে প্রশ্ন উঠবে কেন এত টাকা দাম? এটা না করলে মানুষ দরিদ্র হয়ে যাবে। বেঁচে থেকে তখন লাভ কি, টাকার অভাবে আমি যদি খাইতেই না পারি, আমার ছেলে-মেয়ে খাবার না পায়। ধার-দেনায় জর্জরিত হয়ে যাই।’

Loading