প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে দেশের মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে আমরা প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। বর্তমান সংকটে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!বৃহস্পতিবার ত্রাণ তহবিলে অনুদান গ্রহণকালে তিনি এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমরা করেছি, আমাদের দল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে করেছি। অনেক বিত্তশালী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে এই আন্তরিকতাটুকু আছে বলে কর্মহীন, অসহায় মানুষেরা এখনও খেতে পারছে বা চলতে পারছে।
তিনি বলেন, আমরা ব্যাপকভাবে ত্রাণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি এবং আমরা দিয়ে যাচ্ছি। কোভিড-১৯ রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। করোনার টেস্ট ও চিকিৎসা দুটোই সরকারি উদ্যোগে বিনা পয়সায় হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রত্যেক শ্রেণিপেশার মানুষ সবার কাছে যেন আমরা কিছু না কিছু সহযোগিতা পৌঁছে দিতে পারি, সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি। তারা যেন কষ্ট না পায়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যাতে চলে, সেদিকে লক্ষ্য রেখে শিল্প থেকে শুরু করে সর্বস্তরের সবাই যেন কার্যক্রম চালাতে পারে সেই লক্ষ্যে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে, যা জিডিপির প্রায় ৩ দশমিক ৭ ভাগ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিন-চার মাস ধরে অর্থনীতি পুরোপুরি স্থবির। যেহেতু অর্থনীতি স্থবির অবস্থায় রয়েছে, সেজন্য আমরা কিছু কিছু ক্ষেত্র এখন উন্মুক্ত করছি। কারণ মানুষকে তো আমাদের বাঁচাতে হবে। আমরা মানুষের কল্যাণের কথা ভেবে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা সবসময় জনগণের কল্যাণেই কাজ করি। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত করা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করা, তাদের সামাজিক নিরাপত্তা দেওয়াসহ সব বিষয় নিয়ে কাজ চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ত্রাণ তহবিলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনুদান ও চিকিৎসা সামগ্রী গ্রহণ করেন মুখ্যসচিব ড. আহমেদ কায়কাউস। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সম্পাদনা : ইকবাল খান
![]()