দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, আওয়ামী লীগ গণমানুষের মধ্য থেকে গড়ে ওঠা একটি দল। দেশের সকল অর্জনের সঙ্গে দলটির নাম জড়িয়ে আছে। সবচাইতে বড় অর্জন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগ যখন পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকার গঠন করে, তখন ভাষাদিবস সরকারিভাবে পালন করা হয়। পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে রচিত হয়েছিল।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় হত্যা না করা হলে কয়েক দশক আগেই দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়ার চেয়ে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হতো বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণের পথে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলেছে দেশ। ১৯৫০ সালের খাদ্য ঘাটতির জনপদ খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশ। গত সাড়ে ১১ বছরে মানুষের মাথাপিছু আয় সাড়ে তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে বারবার মৃত্যু উপত্যকা থেকে ফিরে এসে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গত ৭১ বছর ধরে আওয়ামী লীগ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর পর এখনো স্বাধীনতার পক্ষের ও বিপক্ষের শক্তি নিয়ে কথা বলতে হয়, এটি দুঃখজনক। বিএনপি স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি জামায়াতে ইসলামীর পৃষ্ঠপোষকতা করে। সাম্প্রদায়িক চেতনার ভিত্তিতে গঠিত পাকিস্তানের সাম্প্রদায়িকতাকে ভূলন্ঠিত করে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশ রচিত হয়েছিল। কিন্তু এদেশে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ানো হয়, অগ্রগতিকে থামিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা চলে।
মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
![]()