৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:৫৮
শিরোনাম:

দুই কোটি পরিবারকে মাসে ৫০০০ টাকা করে দিতে সরকারকে রুমিন ফারহানা এমপির আহ্বান

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্র উল্লেখ করে বিএনপির এই সংসদ সদস্য আরো বলেন, বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ১৯০০ ডলার, অর্থাৎ প্রত্যেক নাগরিকের মাথাপিছু আয় এখন ১৩০০০ টাকার কিছু বেশি। সেই হিসাবে ৪ সদস্যের ১টি পরিবারের আয় হবার কথা ৫৩০০০ টাকা। তাহলে ত্রাণের লাইন এত দীর্ঘ কেন? ১০ বছরে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে ১ লাখের বেশি।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৭৪% পরিবারের উপার্জন কমে গেছে এবং ১৪ লাখেরও বেশি প্রবাসী শ্রমিক চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন। এই সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৫ কোটি ৩৬ লাখ মানুষ চরম দরিদ্র যাদের দৈনিক আয় ১.৯ ডলারের নিচে।

রুমিন ফারহানা বলেন, power and participation research center (PPRC) Ges brac institute of governance and development (BIGD) এক যৌথ সমিক্ষায় বলছে করোনায় দরিদ্র মানুষের জন্য প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা প্রতিমাসে সহায়তা দরকার।

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, সরকারি হিসাবেই দেশে দারিদ্র সীমার নিচে বাস করে ২০.৫ শতাংশ, করোনার কারণে এই সংখ্যা আরও ২২.৯ শতাংশ বেড়ে হবে ৪৩ শতাংশ। তাদের প্রতিবেদন মতে করোনার প্রভাবে দেশের ১০ কোটি ২২ লাখ মানুষ অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিতে পড়েছেন।

করোনার সময় কাজ হারিয়ে আগেই দারিদ্র্য সীমার নিচে থাকা এবং নতুন করে দারিদ্র হয়ে পড়া মানুষ মিলিয়ে সর্বমোট প্রায় ৮ কোটি মানুষের দুই কোটি পরিবারকে দুই মাসে ৫০০০ টাকা করে মোট ১০০০০ টাকা দিলে প্রয়োজন হতো ২০ হাজার কোটি টাকা। সাথে আর ১৫০০০ কোটি টাকা যুক্ত করলে দুই মাস এদের চাল এবং ডালের যোগান দেয়া যেত। এই সাহায্য দিয়ে মানুষকে কোন রকমে বাঁচিয়ে রাখা যেত। কিন্তু সাকুল্যে এই ৩৫ হাজার কোটি টাকা সরকার খরচ করেনি।

শনিবার প্রতিক্রিয়ায় রুমিন ফারহানা একথা বলেন।

Loading