জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এক বিবৃতিতে আরও বলেন, গত ১১ বছরে পাটকলগুলিকে লাভজনকভাবে পরিচালনার বিষয়ে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছিলো। এতে বিজেএমসি, শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের দফায় দফায় আলোচনায় পাট ক্রয়ে লোকসান-দুর্নীতি বন্ধে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে মৌসুমে যথাসময়ে কাঁচাপাট ক্রয় করা, কারখানা পরিচালন ব্যয়ে দুর্নীতি বন্ধ, পণ্য মোড়কে পাট ব্যবহার আইন-২০১০ প্রণয়ন করা, পাটকলগুলোকে আধুনিকায়ন করা এবং পাটের ব্যবহার বহুমুখীকরণসহ বাস্তবসম্মত বেশ কিছু সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছিল।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!তারা বলেন, পাটকল অচল রেখে অলাভজনক করে ফেলার দায়িত্ব শ্রমিকদের নয়। পাটক্রয়, কারখানা পরিচালনা করা, উৎপাদিত পণ্য বিপণনের কোনো ক্ষেত্রেই শ্রমিকদের পরামর্শ গ্রহণ করা হয়নি।
তারা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উৎসাহে পাটের জিনোম আবিষ্কার হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যখন পাটের পুনর্জাগরণের কথা বলছেন, তখন পাটকল ও পাটশিল্প ধ্বংসের জন্য অন্তর্ঘাত চালানো হচ্ছে।
শনিবার তারা এসব কথা বলেন।
![]()