২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:১২
শিরোনাম:

ঢাকা ছাড়ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ, ফাঁকা হচ্ছে টিনশেড বাড়ি

মিরপুর পাইকপাড়ার সরকারি কোয়ার্টার ও আবাসিক এলাকায় সবজির ব্যবসা করতেন মধ্যবয়সী শামসুল মিয়া। ভাড়ায় থাকতেন পীরেরবাগের একটি টিনশেড বাড়িতে। মানিকগঞ্জ ও সাভার থেকে নিজের ভ্যানেই টাটকা সবজি কিনে বিক্রি করতেন। ভালো বিক্রিও হতো। কিন্তু কোভিডে কড়াকড়ি, হয়রানি আর সংক্রমণের ভীতিতে ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে তার ব্যবস্যা। সেজন্য টিনশেড ঘর ছেড়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ফিরে গেছেন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার গ্রামের বাড়িতে। জাগোনিউজ

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

কোভিডের কারণে এমন লাখো নিন্ম আয়ের মানুষ পড়েছেন বিপাকে। তাদের অনেকে ঢাকা ছেড়ে ফিরে যাচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে। আবার অনেকে স্ত্রী-সন্তানদের বাড়িতে পাঠিয়ে রোজগারের জন্য বাধ্য হয়ে থেকে যাচ্ছেন রাজধানীতে। প্রথম আলো

এদিকে রাজধানীর মিরপুর, ষাট ফিট, পাইকপাড়া এলাকা দেখা যায়, বহুতল ভবন থেকে টিনশেড—প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই ঝুলছে বাসা ভাড়া দেয়ার ‘টু-লেট’ বিজ্ঞাপন। বর্ণিকবার্তা

পাইকপাড়া এলাকার টিনশেড বাড়ির মালিক আবুল কালাম বলেন, ‘এমন দিন ছিল, ভাড়াটিয়া কখনও যাইত না। অহন ওই চারডা ঘরের ভাড়াটিয়া পাইতাছি না।’

ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি বাহরানে সুলতান বাহার বলেন, ‘যারা শ্রমজীবী, দিনে কাজ করলে দিনের খাবার জুটত, তাদের অবস্থা করুণ। না বাড়ি যেতে পারছে, না ঢাকায় থাকতে পারছে।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, ভাড়া বাড়ি ছেড়ে সপরিবার গ্রামে চলে যাওয়া কিংবা পরিবারকে গ্রামে পাঠিয়ে দিয়ে মেসে থাকা অনেকের জন্য সুবিধাজনক। এ জন্য এ ধরনের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। কালের কণ্ঠ

Loading