২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:৩২
শিরোনাম:

চুয়াডাঙ্গার হাটবাজারের চায়ের দোকানে প্লাস্টিক কাপের ছড়াছড়ি ॥

মনিরুজ্জামান সুমন,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার হাট বাজারের অলিতে গলিতে রয়েছে চায়ের দোকান। মহামারি করোনা ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পেতে চায়ের দোকানে গুলোতে নতুন করে স্থান পেয়েছে প্লাস্টিকের ওয়ান টাইম চায়ের কাপ। ওয়ান টাইম চায়ের এ কাপ কতটুকু স্বাস্থ্য সম্মত ব্যবহার যোগ্য তা না জেনেই হর হামেসায় চা সেবন কারিরা চা পান করছেন। বিভিন্ন কম্পানি থেকে আসা এসব চায়ের কাপে চা পান করা সঠিক কি না তা নিয়ে জন মনে বিভান্তির সৃস্টি হয়েছে। এটি মানব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরূপ। সারা দিনের ক্লান্তি দুর করতে চায়ের কোনো বিকল্পই নেই। অনেকের কাছে সকালে চা কিংবা কফি না হলে দিনটাই মাটি হয়ে যায়। দিনের শুরুতে কিংবা দিনের ক্লান্তি দূর করতে চায়ের দোকানে মানুষের সারাদিনই ভিড় লেগে থাকে। গতানুগতিক চায়ের কাপ ছেড়ে অনেকেই স্বাস্থ্য সম্মত বা নিরাপদ ভেবেই প্লাস্টিকের কাপে চা পান করছেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এটি স্বাস্থের জন্য কতটুকু নিরাপদ তা ভেবে দেখা দরকার। জেলার বেশ কয়েকজন চায়ের দোকানদার জানালেন, বাজারে করোনার ভাইরাসের কারণে হঠাৎ করে এই প্লাস্টিকের কাপের ব্যবহার ও কদর বেড়েছে। দোকানে চা খেতে আসা প্রায় সবাই ওয়ান টাইম প্লাস্টিকের চা দেবার অর্ডার করে থাকে। তারা জানালেন ১শ প্লাস্টিকের কাপ কিনতে ৮০ থেকে ৯০ টাকা লাগে। এই প্লাস্টিকের কাপ থেকে রোগ ছড়াতে পারে কি না আমাদের জানা নেই। দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকতা আবু হেনা মোঃ জামাল শুভ বলেন, প্লাস্টিকের মধ্যে আছে এক ধরনের রাসায়নিক ঘাতক। এটি নিয়মিত শরীরে ঢুকলে মহিলাদের ইস্ট্রোজেন হরমোনের কাজের স্বাভাবিকতা বিঘিœত হয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্রাণু কমে যায়।

হার্ট, কিডনি, লিভার, ফুসফুস এবং ত্বক ও মারাত্মক রোগে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি, স্তন ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কাও
থাকে। গরম খাবার বা গরম পানীয় প্লাস্টিকের সংর্¯úশে এলে রাসায়নিক বিষ খাবারের সঙ্গে আন্তে আস্তে শরীরের সাথে মেশে যায়।

Loading