গত ২০ জুন ব্র্যাকের গবেষণা জরিপ জানায়, ৪৯ শতাংশ এখনই স্বল্প সময়ের মধ্যে স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার পক্ষে। তারা মনে করছেন শিক্ষাজীবন ঝুঁকির মুখে। কিন্তু সরকার কোভিড সংক্রমণের ভয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখলে অনলাইনে ক্লাস চালুর ব্যবস্থা চালু করেছে। কিন্তু এক্ষেত্রে তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাছুম বিল্লাহ জানান, ছয়টি পদ্ধতিতে এ সংকট সমাধান করা যায়। গুগল ক্লাসরুম পদ্ধতি ব্যবহার করে ক্লাস নেয়া যায়। গুগল স্যুটে নিবন্ধন করে নির্ধারিত কোড দিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করতে পারবে ওই ক্লাসে।
অ্যাসইনমেন্টের জন্য গুগুল ফরম, গুগল ডক, গুগল ড্রাইভ ও ইউটিউব ভিডিও যুক্ত করার সুযোগ থাকছে। ক্লাসরুমে থেকে যাওয়ার পর ক্লাসের ভিডিওগুলো পরেও দেখা যাবে।
সংসদ টিভির ব্যবহার করা যেতে পারে। ইতোমধ্যে টেলিভিশনের মাধ্যমে রেকর্ডিং করা ক্লাস প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছে।
ক্লাসের ভিডিও শেয়ারিং ভিত্তিক সবচেয়ে বড় সাইট হচ্ছে ইউটিউটব ব্যবহার। নির্ধারিত চ্যানেলে শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক ক্লাসের ভিডিও আপলোড করা যায়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটা ডাটাব্যাংক করা যায় সারা দেশে। যেখানে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উপস্থিতি মনিটরিং ও আপগ্রেড করা হবে। যাতে তার যথাযথ দায়িত্ব পালন করছেন কিনা।
![]()