২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১:১৯
শিরোনাম:

এমএলএম প্রতারণার টাকা দিয়েই হাসপাতাল গড়ে তোলেন সাহেদ

কোভিডের ভুয়া রিপোর্ট বানিয়ে তিন মাসে হাতিয়েছেন ৩ কোটি টাকা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

গত তিনমাসে কর্মীদের কোনো বেতন দেননি সাহেদ। এমন কর্মীও রিজেন্টে আছেন, যিনি আটমাস কাজ করলেও বেতন পেয়েছেন দুই মাসের।

র‌্যাব জানায়, উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত রিজেন্টের প্রধান কার্যালয়ে কোভিড পরীক্ষার জাল রিপোর্ট তৈরি করা হতো। কন্ট্রোল রুমে কাজ করা পাঁচ জন এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত। এদের কেউ কেউ আবার অফিসিয়ালি নিয়োগপ্রাপ্তও না।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১০ সালের দিকে সাহেদ ধানমন্ডি এলাকায় বিডিএস কিক ওয়ান এবং কর্মমুখী কর্মসংস্থান সোসাইটি (কেকেএস) নামে দুটি এমএলএম কোম্পানি খুলে গ্রাহকদের প্রায় শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে গা ঢাকা দেয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

২০১১ সালে প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তার হন সাহেদ। দুই বছর জেল খেটে জামিনে বের হওয়ার পর প্রতারণার অর্থ দিয়ে তিনি রিজেন্ট গ্রুপ নামে ব্যবসা শুরু করেন। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সুবিধা আদায় করতেন। এছাড়া নিজেকে উত্তরা মিডিয়া ক্লাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও পরিচয় দিতেন।

Loading