২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:১৩
শিরোনাম:

নদীর পাশে চিহ্নিত করা সীমানা পুনর্দখল করলে আরো বেশি অপরাধ হবে : নৌ-প্রতিমন্ত্রী

সোমবার বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদের তীররক্ষা প্রকল্প পরিদর্শন এবং বিরুলিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন, প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার নদী তীর দখলকারিদের দখলদার হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তীর দখলমুক্ত করতে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকলেও নদী তীর দখলমুক্ত করা হয়েছে।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর প্রবাহ ঠিক রাখা, দখলমুক্ত করা এবং জীবন জীবিকার চাহিদা পুরণে সরকার সচেষ্ট রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা নদী তীরের ৯০ ভাগ দখলমুক্ত করতে পেরেছি। সীমানা পিলার দৃশ্যমান, পাকা দেয়াল এবং ওয়াকওয়ের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পের কাজের গতিশীলতা আনায়নের লক্ষ্যে পরিকল্পনা কমিশনে সংশোধিত প্রকল্প পাঠানো হয়েছে, সেটি অনুমোদিত হলে নদী তীরের কাজগুলো আরো বেশি টেকসই হবে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন আগামী ২০২৩/২৪ সালের মধ্যে শেষ হবে।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, উদ্ধারকৃত জায়গায় সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। এর কার্যক্রম ধারাবহিকভাবে চলমান থাকবে। নদী রক্ষা, দখল ও দূষণরোধ এবং পরিবেশের উন্নয়নে মাস্টারপ্লান অনুমোদিত হয়েছে। মাস্টারপ্লান বাস্তবায়ন করতে পারলে ঢাকার চারপাশের নদী নয়, ঢাকার মধ্য দিয়ে নৌ চলাচল সম্ভব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী মাতৃক বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে নিতে সরকার শত বছরের ডেল্টা প্লান কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খনন, ঢাকার চারপাশের নদীসহ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী রক্ষায় কাজ করা হচ্ছে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অনল চন্দ্র দাস, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম মোহাম্মদ সাদেক এবং প্রকল্প পরিচালক নুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।

Loading