২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:২৯
শিরোনাম:

সরিষাবাড়িতে ইউএনও’র সুপারিশেও জুটেনি দুঃস্থ মহিলার ভাতার কার্ড

মাসুদুর রহমানঃ জামালপুরের সরিষাবাড়িতে ইউএনও’র সুপারিশেও মিলেনি ভাতার কার্ড। পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড নাওগোলা গ্রামের মৃত আয়েন আলী শেখের তালাকপ্রাপ্তা দুঃস্থ কণ্যা ফাতেমার কপালে ইউএনও’র সুপারিশেও ভাতার কার্ড জুটেনি বলে অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের বিরুদ্ধে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সূত্রে জানা যায়, নাওগোলা গ্রামের মৃত আয়েন শেখের মেয়ে মহিলালীগের কর্মী  ফাতেমা প্রায় বিশ বছর আগে একটি কণ্যা সন্তানসহ তালাকপ্রাপ্ত হয়। সে অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ না হয়ে একমাত্র মেয়ের দিকে তাকিয়ে অনেক কষ্টে জীবণ অতিবাহিত করতে থাকে। অপরের সাহায্য সহযোগীতায় অনেক কষ্টে মেয়েটিকে বিবাহ দিলেও ফাতেমার (৫৫) দিন কাটছে অনাহারে অর্ধাহারে। প্রায় এক বছর আগে ফাতেমা স্থানীয় এক সংবাদ কর্মীর মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা শিহাব উদ্দিনের সুপারিশক্রমে ভাতা কার্ডের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের দপ্তরে জমা দেয়।পরবর্তীতে উপজেলা চেয়ারম্যানের নির্দেশে ভাতার কার্ড উন্মুক্ত বাছাই হবে বলে ঘোষণা এলে নির্ধারীত দিনে ফাতেমা সরকারী বঙ্গবন্ধু কলেজ মাঠে হাজির হয়।

যাচাই বাছাই শেষে সেখানেও ভাতা কার্ড পাওয়ার উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয় ফাতেমা। সম্প্রতি উপজেলা সমাজ সেবা দপ্তরের মাধ্যমে ভাতাভোগীদের নতূন কার্ড বিতরণ করা হয়। খবর পেয়ে সমাজ সেবা দপ্তরে খোজঁ নিয়ে জানতে পারে ফাতেমার ভাতার কার্ড হয়নি। উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের স্মরণাপন্ন হলে তিনি ফাতেমা’র ভাতার কার্ডের বিষয়ে সদোত্তর না দিয়ে অন্য প্রসঙ্গ টেনে এড়িয়ে যান বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য ফাতেমার পরিবারের সকল সদস্যই আওয়ামীগের একনিষ্ট কর্মী। বিগত বিএনপি’র আমলে নানা চড়াই উৎরাই ও জুলুম পোহাতে হয় তাদের। এতে অর্থনৈতিকভাবেও চরম ক্ষতির সম্মূখীন হয় পরিবারটি।

জানতে চাইলে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আরিফুর রহমান সকালের সময়কে বলেন এ বিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারবো না। ইউএনও স্যার বলতে পারবেন। উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা শিহাব উদ্দিন আহমেদ এর নিকট জানতে চাইলে তিনি মর্মাহত হয়ে বলেন রিপ্লেসমেন্ট করে দিবে আমি বলে দেব।

চাকুরী পেয়ে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা হিসেবে আরিফুর রহমান সরিষাবাড়িতে প্রথম যোগদান করেন। নবাগত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পরেই উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার সুপারিশ পাশ কাটিয়ে যাওয়ায় নানা প্রশ্ন দানা বেধে উঠেছে সুধিজনের মাঝে। তার খুটির জোর কোথায় প্রশ্ন সচেতন মহলের? সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনণালয় ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি ভুক্তভোগী পরিবার ও বিজ্ঞমহলের জোড়ালো দাবী বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের।

Loading