আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, যেসব পরিবহন মালিক-সমিতি সরকারের সিদ্ধান্ত, জনস্বার্থ ও যাত্রী স্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধি, টার্মিনাল প্রতিনিধি, বিআরটিএ, সিটি কর্পোরেশনসহ সকল অংশিজনদের নিয়ে যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। বিআরটিএর মোবাইল কোর্ট সার্বক্ষণিক মনিটর করবে। কোনে ধরনের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রতিটি টিপ শেষে গাড়ির ভেতর ও বাহিরে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!তিনি বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে সংক্রমণ ছাড়ানোর ঝুঁকি এড়াতে জণগণকে সুরক্ষা দিতে দায়িত্বশীল সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। এটি শুধুমাত্র ধর্মীয় উৎসব হওয়ায় সামাজিক ও ধর্মীয় বাস্তবতায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একই সঙ্গে মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন যানবাহনে কোরবানির পশু পরিবহন বন্ধ ও তা উৎসমুখেই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যাত্রাপথে জ্বালানি সংগ্রহ ও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া গাড়ী থামানো যাবে না। ঈদের ৩ দিন আগে থেকে পণ্যবাহী ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি সার্ভিস ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিবহনে এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। সড়ক ও মহাসড়কের ওপর এবং পাশে কোনোভাবেই পশুরহাট বসানো যাবে না। একই সঙ্গে ঈদের আগে ও পরে সিএনজি স্টেশনসমূহ খোলা রাখতে জ্বালানি বিভাগকেও অনুরোধ জানান সেতুমন্ত্রী।
সোমবার বনানীতে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি “বিআরটিএ”র প্রধান কার্যালয়ে কোরবানির ঈদ উপলক্ষে সড়ক-মহাসড়কে যাত্রী সাধারণের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে করণীয় নির্ধারণ সংক্রান্ত সভায় তাঁর বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য মশিউর রহমান রাঙ্গা, বিআরটিএর চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার, বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. এসছানে এলাহি প্রমুখ।
![]()