৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:২৭
শিরোনাম:

রাজধানীতে অজ্ঞান ও মলম পার্টি চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, পশুর হাট ছিল মূল টার্গেট

রাজধানীর মেরুল বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অজ্ঞানপার্টি ও মলমপার্টি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিট। গ্রেপ্তাররা হলেন- মাসুদ, মামুন হোসেন ওরফে সাত্তার, সুমন ওরফে মুসা এবং মো. সুমন। কোরবানির পশুর হাট ঘিরে সক্রিয় হয়ে ওঠেছিল চক্রটি।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সোমবার দুপুরে সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, যাত্রীদের নেশাজাতীয় দ্রব্যাদি খাইয়ে সর্বস্ব লুট করে নিচ্ছে একটি চক্র। এমন অভিযোগ পেয়ে রোববার অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি প্রাইভেটকার, একটি চাপাতি, ছুরি, রশি, গামছা, নেশা জাতীয় ঘুমের ওষুধ এবং বিষাক্ত মলম উদ্ধার করা হয়েছে।

সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা নেশাজাতীয় দ্রব্য ব্যবহার করে দস্যুতা সংঘটনকারী একটি সংঘবদ্ধ দলের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার আশপাশের এলাকায় অটোরিকশার যাত্রী, চালক এবং পথচারীদের গতিরোধ করে যাত্রীদের মলম লাগিয়ে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নির্জনস্থানে ফেলে গাড়িসহ টাকা পয়সা ছিনিয়ে নিতো। এসব কাজ করতে গিয়ে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, ছুরি, চাপাতি, রশি, মরিচের গুঁড়া এবং বিষাক্ত ও নেশাজাতীয় ঘুমের ওষুধ ব্যবহার করে। অপরাধ সংঘটনের সময় তারা চার থেকে পাঁচজন সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডি জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা যাত্রীবেশে সিএনজিতে ওঠে যাত্রীদের খাবারের প্রস্তাব দেয়। তাদের অচেতন করে সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যায়। লুট করা সিএনজি বা অটোরিকশা তাদের চক্রের সদস্যদের কাছেই বিক্রি করে। তারা বাসস্ট্যান্ডে ও রেলস্টেশনে কাজ করে থাকে। গ্রেপ্তার চক্রের সদস্যরা ভোর ৪টা থেকে ৬টার মধ্যে কাজ করে থাকে। গ্রেপ্তার সবারই বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

Loading