স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেব মতে গেলো কয়েকদিন ধরে সংক্রমনের হার ২৩-২৫ এর মধ্যে আছে। তবে এই সময়ে কমেছে নমুনা সংগ্রহ ও টেস্ট কার্যক্রম। নমুনা সংগ্রহ কমলেও রোগির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়াকে মোটেও ভালো ভাবে দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে যদি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নাগরিকরা যাতায়াত করে তবে অবস্থা আরো খারাপের দিকে যাবে। যদিও নমুনা সংগ্রহ কমেছে অনেক খানি।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!আগস্ট মাসের এক তারিখে পবিত্র ঈদুল আজহা। এই সময়টায় ছুটি ঘোষনা করেছে সরকার। যদিও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের টেকনিকেল কমিটি ঢাকা, চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জের নাগরিকদের যাতায়াত বন্ধ রাখতে পরামর্শ দিয়েছে। তারপরও ছুটি হওয়ায় নাগরিকরাতো বাড়ি যাবেনই। এর ওপর কোরবানির হাটও তিন জেলায় না বসানোর পরামর্শ দিয়েছিলো জাতীয় পরামর্শ কমিটি। এটাও মানা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রতিদিনের সংক্রমনের হার একে বাড়েই পাল্টে যাবে ঈদেরপর।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, কোরবানির ঈদের ১৫ দিন পরই করোনা ভাইরাসের সর্বোচ্চ সংক্রমণ হবে। গার্মেন্টস, গণপরিবহন, লঞ্চ-ফেরীতে ঠাসাঠাসি করে গ্রামে যাওয়া-আসা, পশুর হাট-ঈদ উদযাপন ও দোকানপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। সংক্রমণের হার দেখে আমরা বুঝতে পারব কী হতে পারে। সেই চিত্র দেখার পর নতুন করে কৌশল গ্রহণ করতে হবে।
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসাইন বলেন, ঈদ উল ফিতরের সময় নাগরিকরা যাতায়াত করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কোভিড ছড়িয়েছে। আবার ঈদ উল আযহায় কোভিড ছড়াবে বাড়ি যাতায়াত করে। কোরবানির পশুর হাটতো আরো সমস্যা হয়ে দাড়াবে আমাদের জন্য। ঈদের ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই সংক্রমিতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। সংক্রমণ ঠেকাতে হলে অবশ্যই ছুটি বাতিল, নাগরিকদের যাতায়াত বন্ধ করতে হবে।
![]()