চীনের কোম্পানি সিনোফার্মের সঙ্গে যৌথভাবে আবুধাবির স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-সেহা এবং গ্রুপ-৪২ নামের একটি কোম্পানি এই পরীক্ষা শুরু করেছে। এর আগে চীনে এই ভ্যাকসিনের প্রথম আর দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা হয়। দুইশ’র বেশি দেশের নাগরিক থাকায় তৃতীয় দফার পরীক্ষার জন্য আবুধাবিকে বেছে নিয়েছেন গবেষকরা। তৃতীয় দফায় সফল হলে সেই ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেয়া হয়ে থাকে। বিবিসি।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!দেশটিতে প্রথম ভ্যাকসিন নিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান। ২৬ বছর বয়সী বাংলাদেশি তরুণ রাহাত আহমেদ রাফি বিবিসি বাংলাকে বলছেন, আমি রেডক্রিসেন্টের ভলান্টিয়ার হিসাবে এখানকার করোনা টেস্টিং সেন্টারে গত দুই মাস ধরে কাজ করছি। যখন জানতে পারলাম যে, করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের জন্য স্বেচ্ছাসেবী চাওয়া হচ্ছে, তখন আমিও ইন্টারনেটে নাম তালিকাভুক্ত করি। গত ২৪ জুলাই তারিখে আমাকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দিয়েছে। ২১দিন পরে আবার দ্বিতীয় ডোজ দেবে।
ভ্যাকসিন দেয়ার পর তার হালকা মাথা ঘোরানো ছাড়া অন্য কোন সমস্যা হচ্ছে না বলে তিনি জানান। রাহাত আহমেদ জানান, ভ্যাকসিন দেয়ার পর থেকেই প্রতিদিন আমাদের সঙ্গে তারা যোগাযোগ করছে। তিনদিন পরপর তাদের অফিসে গিয়ে আমাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে বলেছে।
আপাতত তাকে অন্যদের থেকে আলাদা থাকার জন্য বলা হয়েছে।
![]()